‘বিগ বস বাংলা’র ঘরে প্রথম সপ্তাহেই ইতি পড়েছে অনিন্দ্য সেনগুপ্তর সফরে। দর্শকদের ভোটে শো থেকে বিদায় নিতে হয়েছে তাঁকে। যদিও শোয়ে থাকার সময়ই অনিন্দ্য জানিয়েছিলেন, মূলত টাকার জন্যই তিনি এই প্রতিযোগিতায় এসেছেন। অন্যান্য প্রতিযোগীদের সঙ্গে খুব একটা মানিয়ে নিতে পারছিলেন না বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর সফর শেষ হওয়ায় বিশেষ কোনও আক্ষেপ নেই অভিনেতার।
তবে বিগ বসের ঘর থেকে বেরিয়ে এসে সহ-প্রতিযোগীদের নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন অনিন্দ্য। স্টার জলসার তরফে প্রকাশিত তাঁর সেই অভিজ্ঞতার কথায় উঠে এসেছে বাড়ির একাধিক সদস্যের প্রসঙ্গ।
কার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ‘মাইন্ড গেম’ দেখছেন অনিন্দ্য?
অনিন্দ্যের চোখে ‘বিগ বস বাংলা’র অন্যতম শক্তিশালী প্রতিযোগী হলেন দুর্নিবার সাহা। তাঁর মতে, বাড়ির মধ্যে সবচেয়ে বেশি বুদ্ধির খেলা বা ‘মাইন্ড গেম’ খেলছেন দুর্নিবারই। শুধু দুর্নিবার নন, সৃজলা গুহ এবং নন্দিনী দত্তকেও যথেষ্ট শক্তিশালী প্রতিযোগী বলে মনে হয়েছে তাঁর।
অনিন্দ্যের ধারণা, এই প্রতিযোগীরা আগামী দিনে গেমের সমীকরণে বড়সড় পরিবর্তন আনতে পারেন। বিশেষ করে দুর্নিবারের কৌশলী খেলার ধরন তাঁর নজর কেড়েছে।
তনুশ্রীকে নিয়ে বদলে গেল ধারণা
বিগ বসের বাড়িতে থাকাকালীন তনুশ্রীকে নিয়েও অনিন্দ্যের ধারণায় পরিবর্তন এসেছে। প্রথমদিকে তাঁর মনে হয়েছিল, তনুশ্রী সম্ভবত খুব বেশি চিৎকার করে কথা বলেন। কিন্তু পরে কাছ থেকে তাঁকে দেখার পর অনিন্দ্য বুঝেছেন, সেটাই তাঁর স্বাভাবিক কথা বলার ধরন।
বাইরে থেকে তনুশ্রীকে কিছুটা রুক্ষ মনে হলেও, আদতে তিনি যথেষ্ট নরম মনের মানুষ বলেই মনে হয়েছে অনিন্দ্যের।
দীপেন্দুর সঙ্গে তৈরি হয়েছিল বন্ধুত্ব
মাত্র সাত দিনের সফর হলেও দীপেন্দু বিশ্বাসের সঙ্গে বেশ ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছিল অনিন্দ্যের। তাঁর মতে, দীপেন্দু অত্যন্ত সাদাসিধে স্বভাবের মানুষ।
এমনকি অনিন্দ্য ভেবেছিলেন, তাঁর পরেই হয়তো দীপেন্দুকে বিগ বসের ঘর থেকে বিদায় নিতে হবে। কিন্তু বাস্তবে সেই হিসাব মেলেনি। জয়িতা, সায়ক কিংবা সোহিনীর মতো একাধিক প্রতিযোগী বিদায় নিলেও এখনও নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন দীপেন্দু।
কারও উপর নেই রাগ-অভিমান
প্রথম সপ্তাহেই শো থেকে বেরিয়ে গেলেও কোনও প্রতিযোগীর উপর তাঁর রাগ বা অভিমান নেই বলেই জানিয়েছেন অনিন্দ্য। খুব অল্প সময় বাড়িতে থাকার কারণে কারও সঙ্গে এমন কোনও সম্পর্কও তৈরি হয়নি, যার জেরে বেরিয়ে এসে ক্ষোভ তৈরি হতে পারে।

এমনকি কারও ফোন নম্বর ব্লক করে দেওয়ার ইচ্ছাও তাঁর নেই। সব মিলিয়ে ‘বিগ বস বাংলা’র ঘরে তাঁর ছোট্ট সফর নিয়ে যথেষ্ট খুশি অনিন্দ্য। প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিলেও সহ-প্রতিযোগীদের সম্পর্কে তাঁর মনে কোনও অভিযোগ নেই।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.