বলিউডে একাধিক তারকা তাদের অভিনয় জীবনে সহ অভিনেতা বা অভিনেত্রীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন৷ বহুকাল আগে থেকেই বলিউডে এই ছবি দেখা গিয়েছে। এখনও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। তবে কারোর সম্পর্ক যেমন দীর্ঘদিন রয়ে গিয়েছে আবার কারোর সম্পর্ক ভেঙে গিয়েছে। তেমনই একটি জুটি হলো করিনা কাপুর ও শাহিদ কাপুর। তাদের দীর্ঘদিনের প্রেমের কথা কারোর অজানা নয়।
একসঙ্গে বহু সিনেমায় অভিনয় করেছেন তারা। একসঙ্গে অভিনয় করতে গিয়ে প্রেমেও পড়েছেন। সেই প্রেম থেকে হয়েছে বিচ্ছেদ। এরপর করিনা কাপুর বলিউডের আরেক তারকা সইফ আলি খানকে বিয়ে করেন৷ অপরদিকে শাহিদ বিয়ে করেন মীরা রাজপুতকে। দুই ছেলে ও স্বামীকে নিয়ে সুখের সংসার করিনার। অপরদিকে শাহিদ কাপুর তার জীবন নিজের মতন সাজিয়ে নিয়েছেন।
এসবের মাঝে জানা যায়, করিনা সইফ কিংবা শাহিদ নয়, একেবারে অন্য একজন পুরুষে মজেছিলেন। তার ছবি নিজের স্নানঘরেও টানিয়ে রেখেছিলেন তিনি। সেই কথা জানতে পারেন অভিনেত্রীর দিদি করিশ্মা কাপুর। শাহিদের সঙ্গে একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন করিনা৷ অভিনয় করতে গিয়ে সম্পর্কের সূত্রপাত ঘটে। তবে দুই তিন বছর বাদে সেই সম্পর্কের ইতি টেনে দেন তারা।
এরপর ২০১২ সালে সইফ আলি খানের সঙ্গে বিয়ে হয় করিনার। অপরদিকে ২০১৫ সালে মীরা রাজপুতকে বিয়ে করেন শাহিদ৷ করিনার জীবনে দুই পুরুষের পাশাপাশি ছিল আরেক পুরুষের নাম কিন্তু তা গোপনে। সেই নায়কের প্রতি করিনা এত মুগ্ধ ছিলেন যে তার ছবি স্নানঘরে টানিয়ে রেখেছিলেন তিনি। একসময় বলিউডে দুর্দান্ত সিনেমা উপহার দিতেন সালমান খান। একবার ‘দশ কা দম’ নামক একটি রিয়েলিটি শো-তে সালমান জানান, তার ছবি করিনা নাকি স্নানঘরে টানিয়ে রেখেছেন।
পরে নাকি আবার ছিঁড়েও ফেলেছেন অভিনেত্রী। আর তা শুনে মনখারাপ হয়েছিল সালমানের। ‘নিশ্চয়’ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন করিশ্মা ও সালমান। সেইসময় শ্যুটিং করতে এসে করিশ্মা তার বোনের মুগ্ধতার কথা জানান সালমানকে। এর কয়েক মাস পর সালমানের সঙ্গে করিশ্মার দেখা হলে তিনি জানান, তার বোন সালমানের ছবি স্নানঘর থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। আর তা শুনে নাকি বেশ মনখারাপ হয়েছিল সালমানের।
এরপর করিনা সেই জায়গায় আরেক অভিনেতা রাহুল রায়ের ছবি টানিয়েছিলেন। সালমানের ছবি সরিয়ে সেখানে রাহুলের ছবি টানানোর কথা জানতে পেরে সালমান দুঃখ পেয়েছিলেন। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, “আমার মনে হয়েছিল, করিনা আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।” যদিও তা মজা করেই বলেন অভিনেতা।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.