বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, গ্রহের গোচর মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। ২০২৬ সালে বুধ কুম্ভ রাশিতে গোচর করে দু’বার অস্ত ও দু’বার উদয় হবে, যা জ্যোতিষীয় দৃষ্টিতে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। প্রথমবার ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বুধ অস্ত যাবে এবং পরে উদয় হবে। এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি আবার অস্ত গিয়ে ১৩ মার্চ পুনরায় উদিত হবে।
সাধারণভাবে গ্রহের অস্ত যাওয়াকে শক্তি হ্রাসের প্রতীক মনে করা হলেও, এ সময় কিছু রাশির জন্য তা শুভফলদায়ক হতে পারে। বিশেষত পাঁচটি রাশির ক্ষেত্রে একমাসব্যাপী সুখ, সমৃদ্ধি ও আর্থিক উন্নতির ইঙ্গিত মিলছে।
মিথুন রাশি

বুধ মিথুনের অধিপতি গ্রহ হওয়ায় এই সময়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে কর্মক্ষেত্রে অগ্রগতি, নতুন যোগাযোগ এবং আর্থিক উন্নতির সম্ভাবনা প্রবল। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ মিলতে পারে। মানসিক দৃঢ়তা বাড়বে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাফল্য আসবে।
কন্যা রাশি

কন্যা রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য বুধের অস্ত অবস্থা আর্থিক স্থিতিশীলতা আনতে পারে। ১৩ মার্চের পর বিনিয়োগের জন্য শুভ সময় শুরু হবে। পুরনো ঋণ শোধের সম্ভাবনা রয়েছে এবং ব্যবসায় উল্লেখযোগ্য লাভ হতে পারে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যেরও উন্নতি হবে।
তুলা রাশি

কুম্ভে বুধের গোচর তুলা রাশির জীবনে প্রেম ও সৃজনশীলতার নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। সন্তানদের কাছ থেকে সুসংবাদ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যবসায়ীরা নতুন আয়ের উৎস খুঁজে পেতে পারেন। সামাজিক মর্যাদা ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাবে।
ধনু রাশি

ধনু রাশির ক্ষেত্রে সাহস ও আত্মবিশ্বাস বাড়বে। ছোট ভাইবোনদের সহায়তা মিলতে পারে। স্বল্প দূরত্বের ভ্রমণ আর্থিক লাভ বয়ে আনতে পারে। কর্মক্ষেত্রে নিষ্ঠা ও কাজের নীতি ঊর্ধ্বতনদের প্রশংসা কুড়োবে, যা ভবিষ্যতে উন্নতির পথ খুলে দেবে।
আরও পড়ুন:বুধ অস্ত-উদয়ে ৪ রাশির বাম্পার ইনকাম! ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভাগ্য বদলের ইঙ্গিত
কুম্ভ রাশি

যেহেতু বুধ কুম্ভ রাশির মধ্য দিয়েই গোচর করছে, তাই এর প্রভাব সবচেয়ে স্পষ্ট হবে। ব্যক্তিত্বের উন্নতি, বুদ্ধিবৃত্তিক সাফল্য এবং গবেষণা, লেখালেখি বা প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট কাজে বড় সুযোগ আসতে পারে। ব্যবসায় আর্থিক লাভের সম্ভাবনা প্রবল।
সব মিলিয়ে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে বুধের দ্বিগুণ অস্ত ও উদয় পাঁচটি রাশির জীবনে রাজযোগসদৃশ ফল বয়ে আনতে পারে। অর্থভাগ্য, কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত সুখ—তিন ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা উজ্জ্বল।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.