শীতের কামড়ে কাঁপছে বাংলা: কুয়াশায় ঢেকে একাধিক জেলা, পারদ নামল ৮ ডিগ্রিতে

রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ—সব জেলাতেই ঠান্ডার দাপট স্পষ্ট। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিনে রাজ্যের একাধিক জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে নেমে গিয়েছে। বিশেষ করে বীরভূমের শ্রীনিকেতন গোটা দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে ঠান্ডা জায়গা হিসেবে উঠে এসেছে।

শ্রীনিকেতনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বাঁকুড়ায় ৯.৯ ডিগ্রি, পুরুলিয়া ও কল্যাণীতে ১০.২ ডিগ্রি এবং বর্ধমানে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এমনকি উত্তরবঙ্গের অনেক এলাকার তুলনায় দক্ষিণবঙ্গের কিছু অংশে বেশি ঠান্ডা পড়েছে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম, কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা ও মালদহ জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা গেছে। অন্যদিকে কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ঘন কুয়াশার দাপট ছিল, যেখানে দৃশ্যমানতা নেমে আসে মাত্র ৫০ থেকে ২০০ মিটারে।

উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছে। পাহাড়ি জেলা দার্জিলিংয়ে পারদ আরও নেমে পৌঁছেছে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। কলকাতায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১.৬ ডিগ্রি কম।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিন রাজ্যে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে এবং সকালের দিকে কুয়াশার প্রভাব অব্যাহত থাকবে। তবে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রার বড় কোনও পরিবর্তন না হলেও, তার পর ধীরে ধীরে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত পারদ বাড়তে পারে। অর্থাৎ নতুন বছরের শুরুতে কিছুটা স্বস্তি মিললেও আপাতত হাড় কাঁপানো ঠান্ডা থেকেই রেহাই নেই।

শীতের এই দাপটে সকালবেলা রাস্তাঘাটে কুয়াশার চাদর, ঠান্ডায় কাঁপছে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে ভোর ও রাতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক