Lifestyle: ওজন কমাতে ওটস খাচ্ছেন? কয়েকটি সাধারণ ভুলেই নষ্ট হতে পারে সব পরিশ্রম

ওজন কমানোর পরিকল্পনা শুরু করলেই অনেকের খাদ্যতালিকায় প্রথম সংযোজন হয় ওটস। সহজে তৈরি করা যায়, পেটও অনেকক্ষণ ভরা রাখে— এই কারণেই সকালের খাবার হিসেবে ওটসের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু শুধুমাত্র ওটস খেলেই যে ওজন দ্রুত কমবে, এমন ধারণা সবসময় সঠিক নয়। বরং কিছু সাধারণ ভুলের কারণে কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ার পাশাপাশি শরীরে পুষ্টির ভারসাম্যও নষ্ট হতে পারে।
পুষ্টিবিদদের মতে, ওটস একটি ভালো উৎস হলেও এটিকে একমাত্র খাবার হিসেবে দেখা উচিত নয়। অনেকেই সকালে শুধু গরম জলে ওটস মিশিয়ে খেয়ে নেন। এতে ক্যালোরি কম থাকলেও প্রয়োজনীয় প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি থেকে যেতে পারে। দীর্ঘদিন এমন অভ্যাস চললে দুর্বলতা, শক্তির অভাব কিংবা রক্তচাপের ওঠানামার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

ওটসের সঙ্গে কী খাওয়া উচিত?

Lifestyle: ওজন কমাতে ওটস খাচ্ছেন? কয়েকটি সাধারণ ভুলেই নষ্ট হতে পারে সব পরিশ্রম
Lifestyle: ওজন কমাতে ওটস খাচ্ছেন? কয়েকটি সাধারণ ভুলেই নষ্ট হতে পারে সব পরিশ্রম

ওটসকে একটি পূর্ণাঙ্গ খাবারে পরিণত করতে এর সঙ্গে প্রোটিন ও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান যোগ করা জরুরি। দুধ, দই বা গ্রিক ইয়োগার্টের সঙ্গে ওটস মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি ফলের টুকরো, বাদাম, বীজ বা সামান্য মধু যোগ করলে খাবারের পুষ্টিমান আরও বৃদ্ধি পায়।
অনেকেই ওটস দিয়ে সবজি খিচুড়ি তৈরি করেন। এতে গাজর, মটরশুঁটি, শিম, ক্যাপসিকাম বা অন্যান্য সবজি ব্যবহার করা যায়। এর সঙ্গে ডিম যোগ করলে প্রোটিনের চাহিদাও অনেকটাই পূরণ হয়। আবার ডিম, পেঁয়াজ ও টমেটো মিশিয়ে ওটসের অমলেটও তৈরি করা সম্ভব, যা সুস্বাদু হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।

মিষ্টি ওটস সবসময় স্বাস্থ্যকর নয়
ওটসকে সুস্বাদু করার জন্য অনেকে প্রচুর চিনি, ফ্লেভার সিরাপ, চকোলেট বা অন্যান্য মিষ্টি উপাদান ব্যবহার করেন। এতে ওটসের স্বাস্থ্যকর দিক অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। অতিরিক্ত চিনি যুক্ত হলে ক্যালোরির পরিমাণ বেড়ে যায়, যা ওজন কমানোর লক্ষ্যকে ব্যাহত করতে পারে। তাই স্বাদ বাড়ানোর জন্য প্রাকৃতিক ফল বা সীমিত পরিমাণে মধু ব্যবহার করাই ভালো।

পরিমাণের দিকেও নজর দিন
ওটস স্বাস্থ্যকর বলেই যে যত খুশি খাওয়া যাবে, তা নয়। অতিরিক্ত পরিমাণে ওটস খেলে পেট ফাঁপা, গ্যাস বা হজমের সমস্যা হতে পারে। সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য ৪০ থেকে ৬০ গ্রাম ওটস একটি উপযুক্ত পরিমাণ হিসেবে ধরা হয়। দেখতে কম মনে হলেও এই পরিমাণ ওটস যথেষ্ট তৃপ্তি দিতে সক্ষম।

সঠিক উপায়ে ওটস খেলে মিলবে উপকার
ওজন কমানোর জন্য ওটস অবশ্যই একটি কার্যকর খাদ্য হতে পারে। তবে এটি যেন সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। শুধু ওটসের উপর নির্ভর না করে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি, ফল ও সবজির সমন্বয়ে খাবার তৈরি করলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যও সহজে অর্জন করা সম্ভব হবে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক