সংখ্যাতত্ত্ব বা নিউমারোলজি মতে জন্মতারিখের অঙ্ক মানুষের স্বভাব, ভাগ্য ও ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ কিছু মূলাঙ্কের জাতক-জাতিকাদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, বিয়ের পর তাঁদের জীবন আমূল বদলে যায়। শুধু প্রেমময় জীবনসঙ্গীই নয়, অনেক সময় ধনী ও সমৃদ্ধ শ্বশুরবাড়িও তাঁদের জীবনে সৌভাগ্যের দরজা খুলে দেয়।
মূলাঙ্ক ৩: বৃহস্পতির আশীর্বাদ
মূলাঙ্ক ৩ (যাঁদের জন্ম ৩, ১২, ২১ বা ৩০ তারিখে) পরিচালিত হন দেবগুরু Brihaspati-র প্রভাবে। জ্ঞান, সম্পদ, সুখ, ভাগ্য ও বিবাহের কারক হিসেবে বৃহস্পতিকে অত্যন্ত শুভ গ্রহ মনে করা হয়।
এই মূলাঙ্কের ব্যক্তিরা সাধারণত শিক্ষিত, মার্জিত ও ইতিবাচক মনোভাবের হন। বৃহস্পতির কৃপায় তাঁরা জীবনে সঠিক সঙ্গী বেছে নিতে সক্ষম হন। সংখ্যাতত্ত্ব মতে—
এঁদের বিয়ের পর ভাগ্য উজ্জ্বল হয়
শ্বশুরবাড়ি আর্থিকভাবে শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে
জীবনসঙ্গীর মাধ্যমে সম্পদ বা আর্থিক সুবিধা লাভ হতে পারে
এমনকি দরিদ্র পরিবারে জন্মালেও বিয়ের পর বিলাসবহুল জীবনযাপনের সুযোগ আসে
অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বিয়ের পর তাঁদের সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটে।
মূলাঙ্ক ৬: শুক্রের প্রভাব
মূলাঙ্ক ৬ (যাঁদের জন্ম ৬, ১৫ বা ২৪ তারিখে) নিয়ন্ত্রিত হন Shukra-র দ্বারা। শুক্র গ্রহ প্রেম, সৌন্দর্য, আকর্ষণ ও বিলাসিতার প্রতীক।
এই সংখ্যার জাতক-জাতিকারা সাধারণত—
আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী হন
আরাম-আয়েশ ও সৌন্দর্যপ্রিয় জীবনযাপন করেন
সম্পর্কের ক্ষেত্রে আন্তরিক ও প্রেমময় হন
শুক্রের প্রভাবে তাঁদের জীবনে অর্থ ও ভালোবাসা—দুই-ই আসে। সংখ্যাতত্ত্ব মতে, এঁদের শ্বশুরবাড়ি ধনী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং বিবাহের মাধ্যমে হঠাৎ আর্থিক উন্নতির যোগ তৈরি হয়। অনেক সময় উত্তরাধিকার সূত্রেও সম্পদ লাভের সম্ভাবনা দেখা যায়।
বিয়েই হতে পারে টার্নিং পয়েন্ট
মূলাঙ্ক ৩ ও ৬—এই দুই সংখ্যার জাতকদের ক্ষেত্রে বিবাহ শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্ক নয়, বরং ভাগ্যোন্নতির গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। সঠিক সঙ্গী ও সমৃদ্ধ পারিবারিক পরিবেশ তাঁদের জীবনযাত্রার মান, সামাজিক অবস্থান ও আর্থিক স্থিতি বদলে দিতে পারে।
তবে মনে রাখতে হবে, সংখ্যাতত্ত্ব সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয় মাত্র। ব্যক্তিগত পরিশ্রম, সিদ্ধান্ত ও মানসিকতা—এই তিনটিই শেষ পর্যন্ত জীবনের সাফল্য নির্ধারণ করে।
আরও পড়ুন :Vastu: আর্থিক সঙ্কট ও দাম্পত্য অশান্তি? ডাস্টবিনের ভুল দিকেই কি বাড়ছে সমস্যা!

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.