Sudipa Chatterjee:মহা অষ্টমীর রাতেই অঘটন, সোমবার বাইপাস সার্জারি অগ্নিদেবের, দুশ্চিন্তায় সুদীপা! স্বামী অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়ের শোকে ভেঙ্গে পড়েছেন সুদীপা। সামলাবেন কি ভাবে? বুঝতেই পারছেন না।
গোলু ভানু, বাঁটুল,—এরাই তাঁদের প্রাণ। অনেক দিন আগেই ভানুকে হারিয়েছে চট্টোপাধ্যায় পরিবার। সুদীপা চট্টোপাধ্যায়- অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে তাঁদের সব পোষ্যদেরই চেনেন সকলে। ভানু চলে যাওয়ার পরে তাঁরা ভান্টুকে বাড়িতে এনেছেন। মহা অষ্টমীর রাতে পরিবারের আর এক প্রিয় সদস্যকে হারালেন সুদীপা-অগ্নিদেব।
বাঁটুলের বয়স হয়েছিল সাত বছর। অষ্টমীর দিন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। প্রিয় পোষ্যকে হারিয়ে শোকে এক্কেবারে ভেঙে পড়েছেন অগ্নিদেব। একতেই তিনি অসুস্থ, তার মধ্যে এই ঘটনায় আরও ভেঙে পড়েছেন। সুদীপা এই পরিস্থিতি কী ভাবে সামলাচ্ছেন?
এই মুহূর্তে খুবই চিন্তায় আছেন। তাঁর এই সময় খুব একটা ভাল সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন না। ফলে কোনো কিছুই ভাল লাগছে না সুদীপার।

এ বিষয়ে সুদীপা বলেছেন, “অষ্টমীর দিন হাঁটতেও গিয়েছিল বাঁটুল। হঠাৎ কী হল?” ওর ট্রেনার নাকি বলছেন কোনও ভাবে গ্যাস হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সুদিপার (Sudipac hatterjee) ধারণা নিশ্চয়ই অন্য কিছু হয়েছিল বাঁটুলের।
কেউ তা ধরতে পারেনি। সুদীপা আরও জানিয়েছেন, “এত মন খারাপ আমার নবমী থেকে একটুও সাজিনি। সব আলমারিতে তুলে রেখেছিলাম।” অগ্নির সঙ্গে ওর ঘনিষ্ঠতা বেশি ছিল। যে কারনে ওর আরওবেশি মন খারাপ। ঠিক যেমনটা ভানুর সময় আমার হয়েছিল। এমনটা জানিয়েছেন সুদীপা।
এ বিষয়ে সুদীপা জানিয়েছেন, “চিন্তা হচ্ছে সোমবার বাইপাস সার্জারি হবে ওর। এখন ওর মন ভাল নেই। পরিবারকে সামলাতে গিয়ে নিজের মন খারাপকে গুরুত্ব দিতে পারছি না।” ভানু চলে যাওয়ার পর ভান্টু এসেছে পরিবারে। তাহলে কি এ বারেও তেমনই কিছু পরিকল্পনা করছেন তাঁরা? এ বিষয়ে সুদীপা জানিয়েছেন, এ বার আর তেমনটা করবেন না। তাঁরা আপাতত ভান্টু এবং গোলুকে নিয়েই থাকতে চান।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.