Lifestyle: নিজের প্রতিরোধ ব্যবস্থাই যখন শত্রু! ‘মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস’ কেন এত জটিল রোগ?

মানুষের শরীর সাধারণত বাইরের জীবাণু ও সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে সেই প্রতিরোধ ব্যবস্থাই ভুল করে নিজের সুস্থ কোষ ও স্নায়ুকে আক্রমণ করতে শুরু করে। এই ধরনের অবস্থাকেই বলা হয় অটোইমিউন রোগ। ‘মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস’ বা এমএস এমনই একটি জটিল স্নায়ুরোগ, যা ধীরে ধীরে মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্ষমতায় প্রভাব ফেলে।

এই রোগে স্নায়ুর চারপাশে থাকা মায়েলিন নামের সুরক্ষামূলক আবরণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে মস্তিষ্ক থেকে শরীরের বিভিন্ন অংশে স্নায়বিক বার্তা পৌঁছাতে সমস্যা দেখা দেয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চলাফেরা, অনুভূতি, ভারসাম্য এবং স্মৃতিশক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতাও প্রভাবিত হতে পারে।

প্রাথমিক পর্যায়ে রোগের লক্ষণ অনেক সময় সাধারণ সমস্যার মতোই মনে হয়। হঠাৎ দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত ক্লান্তি, শরীরের কোনও অংশে ঝিনঝিন ভাব বা অসাড়তা, হাঁটতে গিয়ে ভারসাম্য হারানো কিংবা মনোযোগ কমে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে চিন্তাভাবনায় বিভ্রান্তি বা ‘ব্রেন ফগ’-এর সমস্যাও দেখা দেয়।

Lifestyle: নিজের প্রতিরোধ ব্যবস্থাই যখন শত্রু! ‘মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস’ কেন এত জটিল রোগ?
Lifestyle: নিজের প্রতিরোধ ব্যবস্থাই যখন শত্রু! ‘মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস’ কেন এত জটিল রোগ?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০ থেকে ৫০ বছর বয়সিদের মধ্যে এই রোগের প্রবণতা তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। যদিও এখনও এই রোগের স্থায়ী চিকিৎসা আবিষ্কৃত হয়নি, তবে আধুনিক ওষুধ, স্টেরয়েড থেরাপি, ফিজ়িয়োথেরাপি এবং নিয়মিত চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে রোগের অগ্রগতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

প্রাথমিক লক্ষণগুলিকে অবহেলা না করে দ্রুত নিউরোলজিস্টের পরামর্শ নিলে রোগ নির্ণয় সহজ হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে জটিলতার ঝুঁকিও কমানো যায়। তাই বারবার অস্বাভাবিক স্নায়বিক সমস্যা দেখা দিলে সচেতন হওয়াই সবচেয়ে জরুরি।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক