‘হাত কেটে নেব’, সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিতে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুমকি পাকিস্তানের!

ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে এবার নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সিন্ধু জলচুক্তি ইস্যু। চুক্তি স্থগিত রাখার ভারতের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের মন্ত্রিসভার সদস্যদের একাধিক কড়া মন্তব্য সামনে এসেছে। এর মধ্যে পাকিস্তানের জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিকের একটি বক্তব্য বিশেষভাবে আলোচনায় উঠে এসেছে, যেখানে তিনি দাবি করেন, পাকিস্তানের ন্যায্য পানির অংশ আটকে দেওয়ার চেষ্টা হলে তার জবাব কঠোরভাবেই দেওয়া হবে।

ভারতের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের পর ইসলামাবাদে সিন্ধু জলচুক্তি নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন দেশের আইন বিশেষজ্ঞ, জলসম্পদ বিশেষজ্ঞ এবং বিদেশি প্রতিনিধিদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। চুক্তির আইনগত ও আন্তর্জাতিক দিকগুলি নিয়ে এই বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।

সেমিনারের আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লা তারা এবং জলবায়ুমন্ত্রী মুসাদিক মালিক ভারতের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। মুসাদিক মালিক ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে অভিযোগ করেন, ভারত একতরফাভাবে পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দ জল বন্ধ করার অবস্থান নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের প্রাপ্য পানির অধিকার খর্ব করার চেষ্টা হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো হবে। তাঁর এই মন্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লা তারা দাবি করেন, আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনও দেশ একতরফাভাবে স্থগিত করতে পারে না। তাঁর মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনার দাবি রাখে।

ভারত অবশ্য এই বিষয়ে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে নয়াদিল্লি সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। ভারতের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে। অতীতে আন্তর্জাতিক মঞ্চেও ভারত জানিয়েছে, পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতার ভিত্তিতে ৬৫ বছর আগে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও পরবর্তী সময়ে সেই আস্থায় আঘাত এসেছে।

সিন্ধু জলচুক্তি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃসীমান্ত জলবণ্টন চুক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই এই ইস্যুকে ঘিরে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের আশঙ্কা। এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা এবং দুই দেশের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক