বলিউডে ‘ভাইজান’ সলমন খান মানেই অ্যাকশন, রোম্যান্স আর বক্স অফিসে ঝড় তোলা সিনেমা। কিন্তু তাঁর দীর্ঘ অভিনয়জীবনে এমন কিছু চরিত্র রয়েছে, যা তাঁকে শুধু তারকা নয়—একজন সংবেদনশীল মানুষ হিসেবেও পরিচিত করেছে। তেমনই একটি ছবি হল ‘ফির মিলেঙ্গে’।
এই ছবিতে সলমন খান অভিনয় করেছিলেন একজন এইচআইভি পজিটিভ যুবকের চরিত্রে। সে সময় এই বিষয়টি নিয়ে সমাজে ছিল প্রবল ট্যাবু। মূলধারার বলিউড যেখানে মূলত প্রেমের গল্প বা বাণিজ্যিক ছবির দিকেই ঝুঁকেছিল, সেখানে এমন একটি সামাজিক ও সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে কাজ করা ছিল যথেষ্ট সাহসের ব্যাপার।
সম্প্রতি ছবির প্রযোজক শৈলেন্দ্র সিংহ জানান, এই ছবির জন্য সলমন খান কোনও পারিশ্রমিক নেননি—মাত্র ১ টাকা নিয়েছিলেন প্রতীকী সম্মানী হিসেবে। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল একটাই—এইচআইভি সম্পর্কে সমাজে সচেতনতা বাড়ানো এবং যুবসমাজকে সঠিক বার্তা দেওয়া।
শৈলেন্দ্র সিংহ বলেন,
“ওই সময় সলমন ছিলেন বলিউডের ‘সুপারম্যান’। তবু তিনি এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করতে রাজি হন যেখানে গল্পের শেষে নায়কের মৃত্যু হয়। সাধারণ নায়কেরা এমন চরিত্র করতে চান না। কিন্তু সলমন নিজের ইমেজের কথা না ভেবে সমাজের জন্য কাজ করেছিলেন।”
এই ছবির মাধ্যমে সলমন প্রমাণ করেছিলেন, জনপ্রিয়তা শুধু গ্ল্যামারের জন্য নয়, দায়িত্বশীল বার্তার জন্যও ব্যবহার করা যায়। শুধু সিনেমা নয়, বাস্তব জীবনেও তিনি সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত। তাঁর স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের স্বাস্থ্য ও উন্নয়নের জন্য কাজ করে চলেছে।
‘ফির মিলেঙ্গে’ আজও স্মরণীয়, কারণ এটি শুধু একটি ছবি নয়—একটি সামাজিক বার্তা, যা সলমন খানের মানবিক দিককে নতুনভাবে তুলে ধরেছিল।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.