বলিউড অভিনেত্রী সান্যা মলহোত্রার ফিটনেস নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে তাঁর ব্যক্তিগত প্রশিক্ষকের মন্তব্য ঘিরে। তার প্রশিক্ষক ত্রিদেব পাণ্ডে জানিয়েছেন, সান্যার সবচেয়ে বড় শক্তি কোনো ব্যায়াম বা ডায়েট নয়—তার অটল মানসিক দৃঢ়তা এবং ইচ্ছাশক্তি।
তিনি জানান, অভিনয় জগতের ব্যস্ত জীবনে নিয়মিত শরীরচর্চা বজায় রাখা অত্যন্ত কঠিন। একের পর এক শুটিং, ইভেন্ট, ভ্রমণ—সব মিলিয়ে অনেক সময়ই দিনের রুটিন এলোমেলো হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই ফিটনেস রুটিন বাদ দিয়ে দেন। কিন্তু সান্যার ক্ষেত্রে বিষয়টি আলাদা।
ত্রিদেব পাণ্ডে বলেন, এমন বহু দিন গেছে যখন সান্যার হাতে ব্যায়াম না করার মতো যথেষ্ট অজুহাত ছিল। কিন্তু তিনি সেই অজুহাতকে প্রাধান্য দেননি। বরং ব্যস্ত সময়ের মধ্যেও যতটা সম্ভব সময় বের করে তিনি নিজের ফিটনেস রুটিন বজায় রেখেছেন।
তিনি আরও জানান, কখনও কখনও শুটিংয়ের ফাঁকে মাত্র ১৫–২০ মিনিট সময় পেলেই সান্যা সেই সময়টুকু কাজে লাগিয়ে ট্রেনিং করে নেন। এমনকি শুটিং লোকেশন থেকে ভিডিও কলের মাধ্যমেও তিনি প্রশিক্ষকের সঙ্গে ব্যায়াম সম্পন্ন করেছেন।
এই ধারাবাহিকতা ও শৃঙ্খলাই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে বলে মনে করেন তার ট্রেনার। তাঁর মতে, বড় লক্ষ্য অর্জনের জন্য শুধুমাত্র পরিকল্পনা নয়, প্রয়োজন প্রতিদিনের ছোট ছোট সিদ্ধান্তে দৃঢ় থাকা।
তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, ফিটনেস রুটিন মানে নিজের উপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া নয়। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, কোনো অভ্যাস দীর্ঘস্থায়ী করতে হলে সেটিকে ভালোবাসতে হবে এবং তার গুরুত্ব বুঝতে হবে। না হলে জোর করে শুরু করা অভ্যাস বেশিদিন টেকে না।
সব মিলিয়ে সান্যা মলহোত্রার ফিটনেস গল্প শুধু শরীরচর্চার নয়, বরং মানসিক শক্তি, নিয়মিততা এবং নিজের লক্ষ্যের প্রতি অটল থাকার এক অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.