খাওয়াদাওয়া শুধুই দৈনন্দিন অভ্যাস নয়, সনাতন বিশ্বাসে এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দেবী অন্নপূর্ণার কৃপা ও ঘরের সমৃদ্ধি। বাস্তুশাস্ত্র ও ধর্মীয় শাস্ত্র অনুসারে, রান্নাঘরের কিছু নিয়ম মানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বলা হয়, নির্দিষ্ট কিছু দিন রয়েছে যখন বাড়িতে রুটি তৈরি করা অশুভ বলে বিবেচিত হয়। এই নিয়ম না মানলে ঘরে আর্থিক টানাপোড়েন, খাদ্যের অভাব ও অশান্তি দেখা দিতে পারে বলে বিশ্বাস।
শারদ পূর্ণিমা
শারদ পূর্ণিমা হিন্দু ধর্মে অত্যন্ত পবিত্র তিথি। এই রাতে চাঁদের আলোয় ক্ষীর রেখে তা পরদিন গ্রহণ করার প্রথা রয়েছে। বিশ্বাস অনুযায়ী, এই দিনে রুটি বানানো নিষিদ্ধ। রুটি তৈরি করলে দেবী অন্নপূর্ণা অসন্তুষ্ট হতে পারেন বলে মনে করা হয়।
শীতলা অষ্টমী
শীতলা অষ্টমীতে দেবী শীতলার পূজা করা হয়। এই দিনে বাসি খাবারই দেবীকে নিবেদন করা হয় এবং তাজা খাবার বা রুটি রান্না করা উচিত নয়। বিশ্বাস রয়েছে, এই নিয়ম না মানলে সংসারে রোগব্যাধি ও অর্থকষ্ট দেখা দিতে পারে।
বাড়িতে মৃত্যু হলে
পুরাণ মতে, কোনও বাড়িতে মৃত্যু ঘটলে সেই দিন থেকে ত্রয়োদশী পর্যন্ত রুটি বা সাধারণ রান্না করা হয় না। এই সময়কে শোককাল হিসেবে ধরা হয়। রুটি তৈরি করলে তা অমঙ্গল ডেকে আনে বলে বিশ্বাস।
Vastu: বাস্তু মেনে এই ৪ ফুলগাছ লাগালেই ঘরে আসতে পারে সুখ-সমৃদ্ধি
দেবী লক্ষ্মীর সঙ্গে সম্পর্কিত উৎসব
দীপাবলি ও লক্ষ্মীপূজার মতো উৎসবে রুটির পরিবর্তে পুরি, হালুয়া, সবজি ইত্যাদি প্রস্তুত করা হয়। মনে করা হয়, এই বিশেষ দিনে রুটি বানানো দেবী লক্ষ্মীকে স্বাগত জানানোর সঠিক উপায় নয়।
Vastu: বালিশের নীচে কোন জিনিস রাখলে মিলবে সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধি: বাস্তুশাস্ত্রের বিশেষ টোটকা
নাগ পঞ্চমী
নাগ পঞ্চমীতে তাওয়া ব্যবহার করে রুটি বানানো নিষিদ্ধ বলে শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে। তাওয়াকে সর্পের ফণার প্রতীক ধরা হয়। তাই এই দিনে তাওয়া এড়িয়ে অন্য পাত্রে রান্না করার রীতি প্রচলিত।
সব মিলিয়ে, বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী এই দিনগুলিতে রুটি বানানো থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। বিশ্বাস করা হয়, এই নিয়মগুলি মানলে ঘরে সুখ, সমৃদ্ধি ও আর্থিক স্থিতি বজায় থাকে।
Vastu: সিন্দুকের সঠিক দিকেই লুকিয়ে আর্থিক সমৃদ্ধির চাবিকাঠি

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.