Sooraj Pancholi: ‘ওঁর মনের ভিতর কী চলছিল, জানতাম না’, জিয়া খানের মৃত্যু নিয়ে ১৪ বছর পর মুখ খুললেন সূরজ পাঞ্চোলি

২০১৩ সালের ৩ জুন অভিনেত্রী জিয়া খান(Jiah Khan)-এর মৃত্যু ঘিরে তোলপাড় হয়েছিল বলিউড। সেই সময় জিয়ার প্রেমিক সূরজ পাঞ্চোলি(Sooraj Pancholi)-র দিকে উঠেছিল অভিযোগের আঙুল। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ২০২৩ সালে বিশেষ সিবিআই আদালত তাঁকে বেকসুর খালাস করে। কিন্তু মামলা নিষ্পত্তির পরও বিভিন্ন সময়ে জিয়ার মৃত্যুর জন্য সূরজকে দায়ী করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর।

এ বার সেই প্রসঙ্গেই দীর্ঘ মুখ খুললেন সূরজ পাঞ্চোলি। ২ অগাস্ট ইনস্টাগ্রামে একটি দীর্ঘ পোস্ট শেয়ার করে তিনি আবেদন জানিয়েছেন, এখনও যাঁরা তাঁকে এই ঘটনায় দোষী মনে করেন, তাঁরা যেন আদালতের নথি ও মামলার তথ্য খতিয়ে দেখে মতামত দেন।

সূরজ লেখেন, “যাঁরা এখনও এই বিষয়টি নিয়ে ধন্দে রয়েছেন বা লেখালেখি করছেন, তাঁদের কাছে অনুরোধ—আপনাদের মতে কোন প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরা, তা বলুন। তবে তথ্য প্রকাশের আগে নিশ্চিত করুন, তা যেন সঠিক হয়।”

নিজের দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের কথা উল্লেখ করে সূরজ জানান, প্রায় ১৪ বছর ধরে তাঁকে এই মামলার বিচারপ্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। তাঁর দাবি, আদালত সমস্ত তথ্য, প্রমাণ এবং আইনের ভিত্তিতে রায় দিয়েছে এবং তিনি বেকসুর খালাস পেয়েছেন। তাই আইনি প্রক্রিয়ার দিক থেকে আর কোনও প্রশ্ন অমীমাংসিত নেই বলেই তাঁর বক্তব্য।

‘তখন আমার বয়স মাত্র ২০ বছর’

জিয়ার মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর। সেই সময় জিয়ার সঙ্গে তাঁর পরিচয়ের মেয়াদও খুব বেশি ছিল না বলে জানান সূরজ। তাঁর কথায়, “জিয়ার সঙ্গে আমার পরিচয় চার মাসের। ওঁর মনের ভিতরে কী চলছিল, সে সম্পর্কে আমার কোনও ধারণাই ছিল না।”

সূরজ আরও বলেন, সেই বয়সে একজন মানুষ কতটা গভীর মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে পারেন, তা বোঝার মতো পরিণতিও তাঁর ছিল না। জিয়ার মৃত্যুর পরের ঘটনাপ্রবাহ তাঁর জীবন সম্পূর্ণ বদলে দেয় বলেও জানিয়েছেন তিনি।

‘২০ থেকে ৩০ বছর, জীবনের একটা বড় অংশ এই মামলাই গ্রাস করেছে’

দীর্ঘ সময় ধরে চলা মামলার প্রভাব তাঁর ব্যক্তিগত জীবন ও কেরিয়ারে পড়েছে বলে দাবি সূরজের। তিনি বলেন, যে সময় তাঁর ভবিষ্যৎ তৈরি করার কথা ছিল, সেই সময়টাই কেটে গিয়েছে আদালতের লড়াইয়ে।

তাঁর কথায়, “২০ বছর থেকে ৩০ বছর, জীবনের একটা বড় অংশ এই মামলাই গ্রাস করে নিয়েছে। প্রতিদিন আমি যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে গিয়েছি, সেটা শুধু আমি জানি।”

সূরজের বক্তব্য, আদালতের উপর তাঁর আস্থা ছিল। শেষ পর্যন্ত আদালতের রায়ের মাধ্যমেই তিনি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পেরেছেন। এর পরও কেউ তাঁকে দোষী মনে করলে তাঁর আর কিছু করার নেই বলেই জানিয়েছেন তিনি।

জিয়ার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নীরব থেকেছেন সূরজ

জিয়ার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এত বছর প্রকাশ্যে বিশেষ কোনও মন্তব্য করেননি সূরজ। তাঁর দাবি, জিয়ার প্রতি সম্মান রেখেই তিনি তাঁর ব্যক্তিগত ট্রমা বা জীবনসংগ্রাম নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেননি।

সূরজের কথায়, “আমি এত বছর নীরব থেকেছি বলেই যে যা খুশি বলার অগ্রাধিকার পায় না। জিয়ার প্রতি সম্মান রেখেই আমি কখনও প্রকাশ্যে ওঁর ব্যক্তিগত ট্রমা বা জীবনসংগ্রাম নিয়ে কথা বলিনি।”

নিজের জন্যও সামান্য সম্মান প্রত্যাশা করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর বক্তব্যের যেন ভুল ব্যাখ্যা না করা হয়, সেই আবেদনও জানিয়েছেন সূরজ।

দীর্ঘ ১৪ বছরের আইনি লড়াই, ব্যক্তিগত যন্ত্রণা এবং জিয়া খানের প্রতি সম্মান—এই তিনটি বিষয়ই তাঁর সাম্প্রতিক পোস্টে উঠে এসেছে। মামলায় আদালতের রায়ের পরও যে বিতর্ক পুরোপুরি থামেনি, সূরজের এই দীর্ঘ বক্তব্যে সেই আক্ষেপই আরও এক বার স্পষ্ট হয়েছে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক