‘ভীষণ ভেঙে পড়েছিল বিজয়’, মুখ্যমন্ত্রী ছেলেকে নিয়ে মায়ের আবেগঘন স্বীকারোক্তি

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এ বছর প্রথম জন্মদিন উদযাপন করলেন অভিনেতা-রাজনীতিক তলপতি বিজয়। ৫২ বছরে পা দেওয়া এই জনপ্রিয় নেতাকে দেশের নানা প্রান্ত থেকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ জীবনের কামনা করে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন।

তবে এই সাফল্যের পথ মোটেও সহজ ছিল না। রাজনীতিতে প্রবেশের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকে বিজয়কে একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজনৈতিক মহলে যেমন তাঁকে নিয়ে নানা সমালোচনা ও কটাক্ষ হয়েছে, তেমনই ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন। নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণার পর তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতা বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেন। পাশাপাশি পরিবার থেকেও দূরত্ব তৈরি হয় বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখর ছেলের সেই কঠিন সময়ের কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর কথায়, অভিনয় জগত থেকে রাজনীতির ময়দানে পা রাখা একেবারেই ভিন্ন ধরনের সিদ্ধান্ত ছিল। সেই কারণেই তিনি ছেলেকে নিয়ে প্রবল উদ্বেগে ভুগতেন। নির্বাচনের আগে বিজয়কে প্রায়ই চিন্তিত ও মানসিক চাপে থাকতে দেখেছেন তিনি।

শোভা জানান, নতুন পথে এগিয়ে যাওয়ার সময় বিজয়কে অনেক কিছু একাই সামলাতে হয়েছে। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি পর্যাপ্ত সমর্থন পাননি বলেই মনে করতেন তাঁর মা। ছেলের জন্য উদ্বেগ থাকলেও সেই ভয় বা দুশ্চিন্তার কথা তিনি কখনও সরাসরি বিজয়কে জানাননি। তাঁর দাবি, এক সময় পরিস্থিতির চাপে বিজয় ভীষণভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তবে পরে তিনি নিজেকে সামলে নিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যান।

বিজয়ের মা আরও বলেন, ছেলের রাজনৈতিক সফরের সঙ্গে তাঁর অভিনয় জীবনের শুরুর দিনের সংগ্রামের অনেক মিল রয়েছে। তখনও সমালোচনা, সংশয় এবং নেতিবাচক মন্তব্যের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু প্রতিবারই সেই সমালোচনাকে শক্তিতে পরিণত করে নিজের লক্ষ্যে এগিয়ে গিয়েছেন বিজয়। তাঁর মতে, প্রতিকূল পরিস্থিতিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করার ক্ষমতাই শেষ পর্যন্ত ছেলেকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিয়েছে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক