হাওড়া স্টেশন থেকে শুক্রবার সন্ধ্যায় যাত্রী পরিষেবা শুরু করল বহু প্রতীক্ষিত নতুন বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস। অত্যাধুনিক এই ট্রেনের যাত্রা শুরু ঘিরে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে প্রথম দিন থেকেই ট্রেনের খাবার মেনুতে শুধুমাত্র নিরামিষ পদ থাকায় বিতর্কও পিছু ছাড়েনি।
শুক্রবার সন্ধ্যা প্রায় ৬টা ২০ মিনিট নাগাদ হাওড়া স্টেশনের ৬ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনটি ছাড়ে। এই বিশেষ মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন হাওড়া ডিভিশনের ডিআরএম নিশান্ত কপূর-সহ রেলের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক। প্ল্যাটফর্মে যাত্রীদের ভিড়, উচ্ছ্বাস এবং মোবাইল ক্যামেরায় মুহূর্ত বন্দি করার দৃশ্য ট্রেনের প্রথম যাত্রাকে আরও স্মরণীয় করে তোলে।
এই ট্রেনের যাত্রা শুরুর আগেই রাজনৈতিক মহলে এবং সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয় ট্রেনের খাবার ব্যবস্থা নিয়ে। জানা যায়, বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেসে আপাতত শুধুমাত্র নিরামিষ খাবারই পরিবেশন করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হলেও, সব যাত্রী যে বিষয়টি নিয়ে অসন্তুষ্ট, তা নয়।
অনেক যাত্রীই জানিয়েছেন, ট্রেনে খাবার তাঁদের কাছে যাত্রার একটি ছোট অংশ মাত্র। মূল আকর্ষণ হল দ্রুতগতি, আরামদায়ক স্লিপার কোচ, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং নিরাপদ যাত্রা। তাঁদের মতে, খাবারের ধরন নিয়ে অযথা বিতর্ক না করে পরিষেবার মান ও সময়ানুবর্তিতার দিকে বেশি নজর দেওয়া উচিত।
এ বিষয়ে হাওড়ার ডিআরএম নিশান্ত কপূর বলেন, যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যই রেলের প্রথম অগ্রাধিকার। তিনি স্পষ্ট করেন যে খাবার সংক্রান্ত রাজনৈতিক বিতর্কে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না। তবে খাবার নিরামিষ হলেও তার গুণগত মান যাতে সর্বোচ্চ থাকে, সে জন্য যাত্রীদের কাছ থেকে নিয়মিত মতামত নেওয়া হচ্ছে।
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ট্রেন ভবিষ্যতে যাত্রীদের মতামতের ভিত্তিতে পরিষেবায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে পারে। আপাতত প্রথম দিনের যাত্রা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়ায় রেল কর্তৃপক্ষ সন্তুষ্ট। বিতর্কের মধ্যেও বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস যে যাত্রীদের নতুন অভিজ্ঞতা দেবে, তা বলাই যায়।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.