Vastu: পুজোর সঙ্গে ঘণ্টার ব্যবহার বহু পুরনো রীতি। মন্দিরে সকাল-সন্ধ্যার পুজো হোক কিংবা বাড়ির পুজো—অনেকেই নিয়ম মেনে ঘণ্টা বাজান। বিশ্বাস করা হয়, ঘণ্টার ধ্বনি পুজোর পরিবেশকে পবিত্র করে এবং ভক্তির সঙ্গে ঈশ্বরের আরাধনায় মনোযোগী হতে সাহায্য করে।
তবে পুজোর সময় কত বার ঘণ্টা বাজানো উচিত, কেমন ঘণ্টা ব্যবহার করা ভালো এবং ঘণ্টা নিয়ে কী কী নিয়ম রয়েছে—তা নিয়েও জ্যোতিষ ও শাস্ত্রে কিছু মত পাওয়া যায়।
পুজোর সময় কত বার ঘণ্টা বাজাবেন?
শাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, পুজোর সময় এক বার ঘণ্টা বাজানোই যথেষ্ট। বার বার ঘণ্টা বাজানো উচিত নয় বলে মনে করা হয়। তাই পুজোর সময়ে ঘণ্টা বাজানোর ক্ষেত্রে সংযম বজায় রাখাই ভালো।
কেমন ঘণ্টা ব্যবহার করা উচিত?
শাস্ত্রীয় মত অনুযায়ী, পুজোর জন্য একটু ভারি মাপের ঘণ্টা ব্যবহার করা শুভ বলে মনে করা হয়। খুব হালকা ঘণ্টা ব্যবহার না করাই ভালো বলে এই বিশ্বাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘণ্টা বাজানোর পর কী করবেন?
জ্যোতিষশাস্ত্রের কিছু মত অনুযায়ী, সোমবার ও বৃহস্পতিবার মন্দিরে ঘণ্টা বাজানোর পর ঘণ্টার ধ্বনি যতক্ষণ শোনা যায়, ততক্ষণ তার নীচে দাঁড়িয়ে নিজের মনের ইচ্ছার কথা মনে মনে বলা যেতে পারে। এরপর ভক্তিভরে ভগবানের দর্শন করে মন্দির থেকে বেরিয়ে আসার কথা বলা হয়েছে।
এই প্রথার সঙ্গে একাগ্রতা ও মানসিক শান্তির বিশ্বাসও জড়িয়ে রয়েছে। তবে এগুলি মূলত ধর্মীয় ও শাস্ত্রীয় বিশ্বাস—বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নিয়ম নয়।
মন্দিরে ঘণ্টা দানও শুভ
যে কোনও ধর্মীয় উৎসব বা শুভ অনুষ্ঠানে মন্দিরে ঘণ্টা দান করাকে শুভ বলে মনে করা হয়। ভক্তি ও শ্রদ্ধার সঙ্গে ঘণ্টা দান করার এই রীতি বহু জায়গায় প্রচলিত।
Vastu: বজরংবলীর কোন ধরনের ছবি ঘরে রাখবেন? কোন দিকে রাখলে শুভ, জানুন বাস্তুর নিয়ম
মনে রাখবেন
পুজোর সময় ঘণ্টা বাজানোর মূল উদ্দেশ্য ভক্তি ও ঈশ্বরের আরাধনায় মনোযোগ স্থাপন করা। তাই নির্দিষ্ট কোনও সংখ্যা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা না করে নিজের পারিবারিক ও ধর্মীয় রীতি মেনে ভক্তিভরে পুজো করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
Sumi has been waiting lifestyle, vastu Tips since 2026.