কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার সিগারেট, বিড়ি ও তামাকজাত পণ্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘পাপ পণ্য’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এর ফলেই আজ থেকে এই সমস্ত পণ্যের দামে কার্যত আগুন লেগেছে। নতুন আবগারি শুল্ক ও জিএসটি কাঠামোর আওতায় এনে সিগারেট ও তামাকজাত দ্রব্যকে দেশের সবচেয়ে বেশি করের বোঝা বহনকারী পণ্যের তালিকায় তুলে আনা হয়েছে।
সিগারেটের দামে বড় ধাক্কা
নতুন কর কাঠামোর জেরে ১০ শলাকার সিগারেটের প্যাকেটের দাম একধাক্কায় ২২ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। শুধু তাই নয়, সিগারেট যত লম্বা ও যত প্রিমিয়াম, দাম তত বেশি। কিছু বিশেষ ব্র্যান্ড ও কিং সাইজ সিগারেটের ক্ষেত্রে এক প্যাকেটে ৫৫ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে।
দৈর্ঘ্য ও ধরন অনুযায়ী সিগারেটের নতুন মূল্যবৃদ্ধি—
ছোট নন-ফিল্টারড (৬৫ মিমি পর্যন্ত): প্রতি শলাকা ২.০৫ টাকা
ছোট ফিল্টারড (৬৫ মিমি পর্যন্ত): প্রতি শলাকা ২.১০ টাকা
মাঝারি (৬৫–৭০ মিমি): প্রতি শলাকা ৩.৬০ থেকে ৪ টাকা
বড় (৭০ মিমির বেশি): প্রতি শলাকা ৫.৪০ টাকা
কিং সাইজ ও বিশেষ ডিজাইনার ব্র্যান্ড: প্রতি শলাকা সর্বোচ্চ ৮.৫০ টাকা পর্যন্ত
তামাকজাত পণ্যের দামে রেকর্ড বৃদ্ধি
সিগারেটের পাশাপাশি তামাকজাত অন্যান্য পণ্যও বড় মূল্যবৃদ্ধির মুখে।
গুটখার দাম বেড়েছে প্রায় ৯১%
পানমশলার দাম বাড়তে পারে ৮৮% পর্যন্ত
তবে ব্যতিক্রম হিসেবে জিএসটি কিছুটা কমায় বিড়ির দাম তুলনামূলক কম, প্রায় ১৮% বৃদ্ধি পেয়েছে।
কেন এত দাম বাড়ল?
সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, সিগারেট, বিড়ি, তামাক, গুটখা, পানমশলা, মদ ও কোল্ড ড্রিঙ্কের মতো পণ্যকে স্বাস্থ্য ও সমাজের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাই এগুলিকে ‘পাপ পণ্য’ আখ্যা দিয়ে নতুন জিএসটি কাঠামোয় সর্বোচ্চ করের আওতায় আনা হয়েছে। এই সংক্রান্ত বিল ইতিমধ্যেই সংসদে পাশ হয়েছিল গত ডিসেম্বর মাসে।
সরকারের যুক্তি, উচ্চ কর আরোপের মাধ্যমে একদিকে যেমন রাজস্ব বাড়বে, তেমনই অন্যদিকে এই ক্ষতিকর পণ্যের ব্যবহারও নিরুৎসাহিত করা সম্ভব হবে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, যারা এতদিন স্বল্প খরচে ধোঁয়া ওড়াচ্ছিলেন, তাঁদের জন্য এবার সত্যিই টাকা পুড়িয়ে ধোঁয়া ওড়ানোর দিন শেষ। 🚭

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.