বাংলার রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে ফের চর্চার কেন্দ্রে গায়িকা ইমন চক্রবর্তী। সম্প্রতি বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য-র একটি বক্তৃতার ভিডিও শেয়ার করে প্রকাশ্যে তাঁর প্রশংসা করেন ইমন। আর সেই পোস্ট ঘিরেই সোশাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা, সমালোচনা ও কটাক্ষ।
মাধ্যমিকের কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য শিক্ষার গুরুত্ব, শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং জীবনের মূল্যবোধ নিয়ে কথা
বলেন। তিনি বলেন, শুধুমাত্র বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ থাকলে প্রকৃত শিক্ষা সম্পূর্ণ হয় না; জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর এই বক্তব্য অনেকের কাছেই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে।
এই ভিডিও শেয়ার করে ইমন লেখেন, মানুষ তাঁকে বিজেপি সমর্থক বললেও আপত্তি নেই, কারণ তিনি দীর্ঘদিন ধরেই শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য ও ব্যক্তিত্বের ভক্ত। গায়িকার এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই নেটমাধ্যমে শুরু হয় নানা প্রতিক্রিয়া।
অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, যদি তিনি এতদিন ধরেই শমীক ভট্টাচার্যকে পছন্দ করে থাকেন, তাহলে আগে কখনও প্রকাশ্যে তা জানাননি কেন। আবার কেউ স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, অতীতে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-র হয়ে প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন এবং সরকারি অনুষ্ঠানে গানও গেয়েছেন। সেই কারণেই একাংশ নেটিজেন ইমনকে ‘সুবিধাবাদী’ বা ‘পাল্টিবাজ’ বলেও কটাক্ষ করেন।
প্রসঙ্গত, একসময় ভবানীপুরে তৃণমূলের নির্বাচনী প্রচারমঞ্চেও দেখা গিয়েছিল ইমনকে। এমনকি তাঁকে ঘিরে রাজনীতিতে যোগদানের জল্পনাও তৈরি হয়েছিল। যদিও বাস্তবে তিনি ভোটের রাজনীতিতে নামেননি।

তবে ইমনের অনুরাগীদের একাংশ তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, একজন শিল্পী কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বক্তব্য বা চিন্তাধারাকে ভালো লাগতেই পারে, তার মানেই রাজনৈতিক শিবির বদল নয়। অনেকে আরও মনে করিয়ে দিয়েছেন, ভোটের ফল ঘোষণার আগেই এক পডকাস্টে শমীক ভট্টাচার্যের প্রশংসা করেছিলেন ইমন।
সব মিলিয়ে, ইমনের এই সোশাল মিডিয়া পোস্ট এখন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মহলে নতুন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than five years.