Lifestyle: চুল পড়া কমাতে কোন চিরুনি সবচেয়ে কার্যকর? নিমকাঠ, বাঁশ না লেজ়ার— জেনে নিন পার্থক্য

চুলের যত্ন বলতে অধিকাংশ মানুষই শ্যাম্পু, তেল, সিরাম কিংবা হেয়ার মাস্কের কথাই ভাবেন। কিন্তু প্রতিদিন ব্যবহার করা চিরুনিটিই যে চুলের স্বাস্থ্যে বড় ভূমিকা নেয়, সে কথা অনেক সময়েই গুরুত্ব পায় না। ভুল ধরনের চিরুনি ব্যবহার করলে চুল ভাঙা, জট ধরা কিংবা অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। তাই শুধু প্রসাধনী নয়, চুলের ধরন অনুযায়ী সঠিক চিরুনি বেছে নেওয়াও জরুরি।

বর্তমানে বাজারে নানা ধরনের চিরুনি পাওয়া যায়। তার মধ্যে নিমকাঠের, বাঁশের এবং লেজ়ার প্রযুক্তির চিরুনি নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। প্রতিটিরই আলাদা বৈশিষ্ট্য ও উপকারিতা রয়েছে।

নিমকাঠের চিরুনি কেন আলাদা?

Lifestyle: চুল পড়া কমাতে কোন চিরুনি সবচেয়ে কার্যকর? নিমকাঠ, বাঁশ না লেজ়ার— জেনে নিন পার্থক্য
Lifestyle: চুল পড়া কমাতে কোন চিরুনি সবচেয়ে কার্যকর? নিমকাঠ, বাঁশ না লেজ়ার— জেনে নিন পার্থক্য

নিমের প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক গুণ বহুদিন ধরেই পরিচিত। সেই কারণেই নিমকাঠের চিরুনি মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করতে পারে। যাঁদের খুশকি, মাথার ত্বকে চুলকানি বা হালকা সংক্রমণের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের কাছে এটি উপকারী হতে পারে।
এই ধরনের চিরুনির দাঁড়া সাধারণত মসৃণ ও কম ধারালো হয়। ফলে চুল আঁচড়ানোর সময়ে মাথার ত্বকে হালকা মালিশের মতো প্রভাব তৈরি হয়। এতে রক্তসঞ্চালন বাড়তে পারে, যা চুলের গোড়া মজবুত রাখতে সহায়ক বলে মনে করা হয়। নিয়মিত ব্যবহারে চুল ভাঙা বা অকারণে চুল পড়ার প্রবণতাও কিছুটা কমতে পারে।

বাঁশের চিরুনি কেন জনপ্রিয় হচ্ছে?
পরিবেশবান্ধব হওয়ায় বাঁশের তৈরি চিরুনির চাহিদা এখন অনেকটাই বেড়েছে। প্লাস্টিকের তুলনায় এগুলি তুলনামূলক হালকা, টেকসই এবং চুলে কম ঘর্ষণ সৃষ্টি করে।
রুক্ষ ও জট বাঁধা চুলের ক্ষেত্রে বাঁশের চিরুনি বিশেষ উপকারী হতে পারে। এটি ব্যবহার করলে চুল টান পড়ে কম ছিঁড়তে পারে। পাশাপাশি চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার সমস্যাও কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করতে পারে। যাঁদের চুল শুষ্ক ও সহজে জট পাকায়, তাঁদের জন্য বাঁশের চিরুনি ভাল বিকল্প হতে পারে।

লেজ়ার চিরুনি কি সত্যিই কার্যকর?
সম্প্রতি চুল পড়া রোধ ও নতুন চুল গজানোর আশায় অনেকেই লেজ়ার চিরুনি ব্যবহার করছেন। এই যন্ত্রে নিম্নমাত্রার লেজ়ার আলো ব্যবহার করা হয়, যা মাথার ত্বকে রক্তসঞ্চালন ও অক্সিজেন প্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা।
তবে এটি সাধারণ চিরুনির মতো দ্রুত ব্যবহার করলে ফল মেলে না। ধীরে ধীরে আঁচড়াতে হয়, যাতে আলো চুলের গোড়ায় পৌঁছতে পারে। ব্যবহারের আগে চুল পরিষ্কার ও সম্পূর্ণ শুকনো থাকা জরুরি। ভিজে চুলে বা সিরাম-জেল লাগানোর পরে এটি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
এ ছাড়া মাথার ত্বকে সোরিয়াসিস, সংক্রমণ বা অন্য কোনও ত্বকের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া লেজ়ার চিরুনি ব্যবহার না করাই ভাল।

কোন চিরুনি সবচেয়ে ভাল?
সব ধরনের চুলের জন্য একটিই সেরা চিরুনি— এমন কোনও নির্দিষ্ট উত্তর নেই। যাঁদের খুশকি বা স্ক্যাল্পের সমস্যা বেশি, তাঁদের জন্য নিমকাঠের চিরুনি উপকারী হতে পারে। শুষ্ক ও রুক্ষ চুলে বাঁশের চিরুনি আরাম দিতে পারে। আর অতিরিক্ত চুল পড়া বা চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় লেজ়ার চিরুনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শে ব্যবহার করা যেতে পারে।

চুল সুস্থ রাখতে শুধু দামি পণ্য নয়, প্রতিদিনের ছোট অভ্যাসগুলিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক চিরুনি বেছে নেওয়াও সেই যত্নেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক