অভিনেতা-রাজনীতিবিদ Joy Banerjee-এর জন্মদিন মানেই একসময় ছিল পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে আনন্দ-উৎসবের দিন। কেক কাটা, উপহার দেওয়া, রাতভর আড্ডা—সব মিলিয়ে বিশেষ আয়োজন থাকত তাঁর বাড়িতে। তবে ২০২৬ সালে সেই পরিচিত উৎসবের আবহ আর নেই। কারণ, এই প্রথম জয়কে ছাড়াই তাঁর জন্মদিন পালন করছেন স্ত্রী Ankita Banerjee ও পরিবারের সদস্যরা।
জয়ের প্রয়াণের পর তাঁর জন্মদিন ঘিরে আবেগে ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সকলে। বিশেষ করে অভিনেতার মা ছেলের স্মৃতিতে সকাল থেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন অঙ্কিতা। তাঁর কথায়, সন্তানের মৃত্যু কোনও মায়ের পক্ষেই মেনে নেওয়া সহজ নয়।
স্বামীর স্মৃতিকে সম্মান জানাতে এ দিন দক্ষিণ কলকাতার একটি অনাথ আশ্রমের প্রায় দেড়শো শিশুর জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করেছেন অঙ্কিতা। শিশুদের জন্য পোলাও, মাংস, মিষ্টি ও পায়েসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হবে বিভিন্ন উপহারও। অঙ্কিতার বিশ্বাস, মানুষের পাশে দাঁড়ানোই ছিল জয়ের স্বভাব। তাই তাঁর জন্মদিনে এই উদ্যোগই সবচেয়ে উপযুক্ত শ্রদ্ধার্ঘ্য।

পরিবারের সদস্যদের কথায়, জয় ছিলেন খেতে ভীষণ ভালবাসতেন। জন্মদিনে বাড়ির রান্নাই ছিল তাঁর সবচেয়ে প্রিয়। কখনও মায়ের হাতে, কখনও স্ত্রীর রান্না করা পায়েস ছিল তাঁর বিশেষ পছন্দের। মাছ-মাংসের নানা পদও থাকত সেই দিনের মেনুতে।
জয়ের ব্যক্তিত্বের আরেকটি দিকও তুলে ধরেছেন অঙ্কিতা। তাঁর দাবি, অভিনেতা যেমন শৌখিন ছিলেন, তেমনই ছিলেন শিশুসুলভ সরল মনের মানুষ। দামি সুগন্ধি উপহার পেলে ছোট বাচ্চাদের মতো খুশি হয়ে উঠতেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা প্রতি বছর তাঁর পছন্দের নানা উপহার দিয়ে জন্মদিনকে স্মরণীয় করে তুলতেন।

রাজনীতির ক্ষেত্রেও জয় ছিলেন সক্রিয় মুখ। দীর্ঘদিন ধরে তিনি Bharatiya Janata Party-র সমর্থক ছিলেন। অঙ্কিতার বক্তব্য, বাংলায় রাজনৈতিক পরিবর্তনের খবর পেলে জয় অত্যন্ত আনন্দিত হতেন। তাঁর ইচ্ছা ছিল প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-র নেতৃত্বে রাজ্যে নতুন রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হোক।
পরিবারের দাবি, রাজনৈতিক বিশ্বাসের পাশাপাশি মানুষের জন্য কাজ করার মানসিকতাই জয়কে আলাদা পরিচিতি দিয়েছিল। তাই তাঁর অনুপস্থিতিতেও জন্মদিনের দিনে পরিবার তাঁকে স্মরণ করছে মানবিক উদ্যোগ ও আবেগঘন মুহূর্তের মধ্য দিয়ে।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than five years.