কমেডির মঞ্চে মৃতের পুরুষাঙ্গ নিয়ে রসিকতা! সাসপেন্ড মেডিক্যাল পড়ুয়া

স্ট্যান্ড-আপ কমেডির মঞ্চে বিতর্ক নতুন কিছু নয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন কমেডি শোকে কেন্দ্র করে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। এবার আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে কৌতুকশিল্পী প্রণীত মোরের ‘দ্য অশ্লীল শো’। শোয়ের একটি পর্বে মৃত পুরুষের গোপনাঙ্গের আকার নিয়ে মশকরা ঘিরে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। এই বিতর্কের জেরে আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের মুখে পড়তে হয়েছে শোয়ের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনকে।

বিতর্কের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু সেজল পাওয়ার, যিনি মুম্বইয়ের সেঠ জিএস মেডিক্যাল কলেজ ও কেইএম হাসপাতালের চিকিৎসাবিজ্ঞানের ছাত্রী। অভিযোগ ওঠে, অনুষ্ঠানে তাঁর করা একটি মন্তব্য চিকিৎসক পেশার মর্যাদা ও সংবেদনশীলতার পরিপন্থী। ঘটনার তদন্তে নেমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রাথমিকভাবে তাঁকে ১৫ দিনের জন্য সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সাসপেনশন আপাতত অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ওই কমিটি তাদের রিপোর্ট জমা দেবে বলে জানা গেছে।

এর আগে সেঠ জিএস মেডিক্যাল কলেজ এবং কেইএম হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে গঠিত একটি তথ্য-অনুসন্ধান কমিটিও বিষয়টি খতিয়ে দেখে। তাদের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য একজন চিকিৎসা শিক্ষার্থীর পেশাগত দায়িত্ববোধ এবং নৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। পাশাপাশি চিকিৎসা পেশার মর্যাদাও এতে ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সেজল পাওয়ারের কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করেছে। সেই সময় তাঁর বাবা-মা বা অভিভাবকদের উপস্থিত থাকার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, যে মন্তব্যকে ঘিরে বর্তমানে এত বিতর্ক, সেটি প্রায় তিন মাস আগে রেকর্ড করা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি সেই অংশ প্রকাশ্যে আসার পরই সমালোচনার ঝড় ওঠে।

বিতর্ক ক্রমশ তীব্র হতে থাকায় চাপের মুখে পড়েন শোয়ের সঞ্চালক ও জনপ্রিয় কমেডিয়ান প্রণীত মোর। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। সেখানে তিনি জানান, ঘটনার পর তাঁর বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা ও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এমনকি তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ভিডিও বার্তায় প্রণীত বলেন, নিজের কাজ ও মন্তব্য নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা তিনি উপলব্ধি করছেন। সমালোচনার মুখে তিনি ক্ষমা চেয়ে জানান, মানুষের ক্ষোভের কারণ তিনি বুঝতে পারছেন এবং সেই দায় এড়িয়ে যেতে চান না।

ঘটনাটি আবারও প্রশ্ন তুলেছে, বিনোদন এবং কমেডির নামে কতটা স্বাধীনতা গ্রহণযোগ্য এবং কোথায় সংবেদনশীলতার সীমারেখা টানা উচিত। বিশেষত যখন কোনও মন্তব্য মৃত্যু, চিকিৎসা পেশা বা মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে জড়িত থাকে, তখন জনমনে তার প্রভাব নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক