স্মার্টফোন এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অনেকেই ঘুম থেকে উঠেই ফোন হাতে নেন এবং শৌচালয়েও সেটি সঙ্গে নিয়ে যান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চোখ বোলাতে বা বার্তার উত্তর দিতে গিয়ে কখন যে অনেকটা সময় কেটে যায়, তা টেরই পাওয়া যায় না। তবে বাস্তুশাস্ত্রের দৃষ্টিতে এই অভ্যাসকে শুভ বলে মনে করা হয় না।
বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, শৌচালয় এমন একটি স্থান যেখানে দীর্ঘ সময় অবস্থান করা উচিত নয়। তাঁদের বিশ্বাস, সেখানে অযথা বেশি সময় কাটালে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব মানসিক অবস্থার উপর পড়তে পারে এবং জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের আরও মত, দিনের শুরুতেই মোবাইলের অফিস-সংক্রান্ত বার্তা বা বিভিন্ন খবর দেখে মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে। এর ফলে মনোযোগ কমে যাওয়া, কাজের প্রতি আগ্রহ হ্রাস পাওয়া কিংবা সৃজনশীল চিন্তাভাবনায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।

বাস্তুশাস্ত্রের কিছু মতবাদে বলা হয়, বিবাহিত জীবনে অকারণ দূরত্ব বা মতবিরোধ বাড়ানোর পিছনেও এমন অভ্যাস পরোক্ষ ভূমিকা রাখতে পারে। যদিও এ ধরনের দাবির বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই, তবুও অনেকেই মানসিক স্বাস্থ্যের কথা ভেবে দিনের শুরুতে ফোনের ব্যবহার সীমিত রাখার পরামর্শ দেন।
এ ছাড়া বর্তমানে অধিকাংশ আর্থিক লেনদেন স্মার্টফোনের মাধ্যমে হওয়ায় শৌচালয়ের মতো আর্দ্র স্থানে ফোন নিয়ে গেলে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি—দুই দিক থেকেই ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই প্রয়োজন না থাকলে এই অভ্যাস এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।
দিনের শুরুটা যদি মোবাইলের বদলে কিছুটা শান্তভাবে কাটানো যায়, তবে মানসিক স্বস্তি ও দৈনন্দিন কাজে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের।
Sumi has been waiting lifestyle, vastu Tips since 2026.