হিন্দু ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব রথযাত্রা। ২০২৬ সালে ১৬ জুলাই পালিত হবে এই শুভ তিথি। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এ দিন ভগবান জগন্নাথ, দাদা বলরাম এবং বোন সুভদ্রাকে সঙ্গে নিয়ে রথে চড়ে মাসির বাড়ির উদ্দেশে যাত্রা করেন। কয়েক দিন সেখানে অবস্থানের পর উল্টো রথের মাধ্যমে তাঁরা আবার মূল মন্দিরে ফিরে আসেন।
পুরীর জগন্নাথধামে এই উৎসব সবচেয়ে জাঁকজমকের সঙ্গে পালিত হলেও পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তেও রথযাত্রা উপলক্ষে ভক্তদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ দেখা যায়। বহু পরিবারে এ দিন উপবাস, পূজা ও নিরামিষ ভোজনের রীতি পালন করা হয়।
ধর্মীয় প্রথা ও লোকবিশ্বাসে রথযাত্রার দিনে কিছু খাবার এড়িয়ে চলার কথাও বলা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু আমিষ নয়, কয়েক ধরনের শাকও রয়েছে।

১. কলমিশাক
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, রথযাত্রার দিন কলমিশাক খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। অনেক ভক্ত এই দিনটিকে সম্পূর্ণ সাত্ত্বিকভাবে পালন করেন এবং এই শাক খাদ্যতালিকা থেকে বাদ রাখেন।
২. পুঁইশাক
রথযাত্রার দিন পুঁইশাকও না খাওয়ার প্রচলিত রীতি রয়েছে। লোকবিশ্বাসে বলা হয়, এই নিয়ম মানলে শুভ শক্তির প্রভাব বজায় থাকে এবং অশুভ প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
৩. তেতো স্বাদের খাবার
অনেক ধর্মীয় প্রথায় রথযাত্রার দিনে তেতো জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। এটি মূলত দীর্ঘদিনের আচার-অনুষ্ঠানভিত্তিক বিশ্বাসের অংশ।
৪. আমিষ খাবার
মাছ, মাংস, ডিমের পাশাপাশি পেঁয়াজ ও রসুনও অনেক ভক্ত এ দিন গ্রহণ করেন না। পরিবর্তে নিরামিষ ও সাত্ত্বিক আহার গ্রহণের রীতি বহু পরিবারে প্রচলিত।
৫. নেশাজাতীয় দ্রব্য
ধর্মীয় আচার পালনের দিনে মদ বা অন্য কোনও নেশাজাতীয় দ্রব্য থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। ভক্তদের মতে, এই দিন শুদ্ধতা ও সংযম বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
মনে রাখবেন
উপরের বিধিনিষেধগুলি ধর্মীয় বিশ্বাস, আচার ও লোকপ্রচলিত রীতিনীতির উপর ভিত্তি করে। এগুলির পক্ষে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। কে কীভাবে এই দিন পালন করবেন, তা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও পারিবারিক প্রথার উপর নির্ভরশীল।
Sumi has been waiting lifestyle, vastu Tips since 2026.