সিকিমে ভয়াবহ ভূমিধস, বসে যাচ্ছে পাহাড়! কাদার স্রোতে হড়পা বানের আশঙ্কা

টানা বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ ভূমিধসে বিপর্যস্ত পশ্চিম সিকিম। একের পর এক ধসে পাহাড়ের ঢাল বসে যেতে শুরু করেছে। পাহাড়ের বুক চিরে গলগলিয়ে নেমে আসছে কাদা, মাটি ও পাথরের স্রোত। পরিস্থিতি ঘিরে পশ্চিম সিকিমের গিয়ালশিং জেলার সিঙ্গলিথাম গ্রাম ও সংলগ্ন রিম্বি এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, এভাবে কাদা-পাথর ও গাছপালা নেমে এসে ঝোরা অবরুদ্ধ হলে যে কোনও মুহূর্তে ভয়াবহ হড়পা বান বা আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে।

জানা গিয়েছে, রিম্বি এলাকার ঠিক উপরে সিঙ্গলিথাম গ্রামের কাছে একটি টিলা ভূমিধসের কারণে ধীরে ধীরে বসে যাচ্ছে। বর্ষার মরশুমে দীর্ঘদিনের ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়াই এই বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে পাহাড়ের উপর থেকে কাদা, মাটি ও বড় বড় পাথর গড়িয়ে নেমে আসছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, আগস্ট মাস থেকেই ওই এলাকায় ভূমিধস শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধস ক্রমশ গ্রামের দিকে এগিয়ে আসছে। রবিবার সকাল থেকে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। একাধিক জায়গায় ধস নেমে রাস্তা চাপা পড়ে যাওয়ায় বেশ কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।

ভূমিধসের জেরে রিম্বি-ইউকসম এবং রিম্বি-খেচুপেরি সড়কের বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্ধ হয়ে গিয়েছে যান চলাচল। একইসঙ্গে ইউকসম-তাশিডিং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও প্রভাব পড়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে তৎপর হয়েছে সিকিম প্রশাসন। ইতিমধ্যেই রিম্বির ৩০টি এবং সিঙ্গলিথামের ৮টি পরিবারকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে। আরও বেশ কিছু বাড়িকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

20260914 071059
ভূমিধসে বসে যেতে শুরু করেছে আস্ত পাহাড়

স্থানীয়দের দাবি, পাহাড়ের ঢাল থেকে ক্রমাগত কাদা, পাথর ও উপড়ে যাওয়া গাছ নেমে এসে নীচের ঝোরার গতিপথ আটকে দিচ্ছে। সেই জলপ্রবাহ কোনওভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে হঠাৎ বেরিয়ে এলে নীচের দিকে ভয়াবহ হড়পা বান তৈরি হতে পারে। ফলে রিম্বি-সহ সংলগ্ন নিচু এলাকাগুলিতে নতুন করে বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ইতিমধ্যেই সিঙ্গলিথামে একাধিক বাড়ি ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ প্রয়োজনীয় ও মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে নিরাপদ জায়গায় চলে যাচ্ছেন।

প্রশাসনের তরফে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ ও যাত্রীদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করার জন্যও বলা হয়েছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক