Driving License Renewal: ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ? অনলাইনেই করুন রিনিউ, জানুন পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় নথি

Driving License Renewal: রাস্তায় গাড়ি চালানোর সময় বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও তা রিনিউ না করেই গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছেন অনেকে। ট্রাফিক পুলিশের হাতে ধরা পড়লে এর জন্য জরিমানা গুনতে হতে পারে। তাই লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে দ্রুত তা নবীকরণ করে নেওয়াই নিরাপদ।

মেয়াদ শেষের পর ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড
ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সাধারণত অতিরিক্ত ৩০ দিনের একটি গ্রেস পিরিয়ড পাওয়া যায়। এই সময়ের মধ্যে রিনিউয়ালের জন্য আবেদন করলে সাধারণত কোনও লেট ফি বা অতিরিক্ত জরিমানা দিতে হয় না। তবে ৩০ দিন পেরিয়ে গেলে লাইসেন্স নবীকরণের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত লেট ফি দিতে হতে পারে।

কিছু ক্ষেত্রে মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর দীর্ঘ সময় পর্যন্ত লাইসেন্স রিনিউ করার সুযোগ থাকে। কিছু রাজ্যে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত রিনিউয়ালের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে গেলে পুরনো লাইসেন্সের বৈধতা সম্পূর্ণভাবে শেষ হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে নতুন করে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন এবং ড্রাইভিং পরীক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

মেয়াদ উত্তীর্ণ লাইসেন্স নিয়ে গাড়ি চালালে কী হবে?
মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে গাড়ি চালানো আইনত অপরাধ। ট্রাফিক পুলিশের হাতে ধরা পড়লে জরিমানা হতে পারে। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোটর ভেহিকল অ্যাক্টের ১৭৭ নম্বর ধারায় ৫০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানার কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে বাস্তবে জরিমানার পরিমাণ সংশ্লিষ্ট রাজ্যের নিয়ম অনুযায়ী কম-বেশি হতে পারে।

অনলাইনেই করা যায় লাইসেন্স রিনিউ
ড্রাইভিং লাইসেন্স নবীকরণের জন্য এখন অনলাইনেই আবেদন করা যায়। এর জন্য প্রথমে সরকারি পরিবহণ পরিষেবার ওয়েবসাইট “Parivahan.gov.in” -এ যেতে হবে।

এরপর ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত পরিষেবার অপশন নির্বাচন করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। পুরনো লাইসেন্সের তথ্য জমা দেওয়ার পর নির্ধারিত ফি অনলাইনে পেমেন্ট করে রিনিউয়ালের আবেদন সম্পূর্ণ করা যায়। পরবর্তী ধাপে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় যাচাই বা অন্য কোনও প্রক্রিয়া থাকলে তা সম্পন্ন করতে হবে।

রিনিউয়ালের জন্য কী কী নথি লাগবে?
লাইসেন্স নবীকরণের সময় সাধারণত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথি প্রয়োজন হতে পারে। যেমন—
– পুরনো ড্রাইভিং লাইসেন্স
– পরিচয়পত্র, যেমন আধার কার্ড, ভোটার কার্ড বা প্যান কার্ড
– পাসপোর্ট সাইজ ছবি
– প্রয়োজন অনুযায়ী মেডিকেল সার্টিফিকেট

বিশেষ করে ৫০ বছরের বেশি বয়সী আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে মেডিকেল সার্টিফিকেট প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়া বাণিজ্যিক গাড়ির চালকদের ক্ষেত্রেও এই শংসাপত্রের প্রয়োজন রয়েছে।

তাই ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে তা ফেলে না রেখে দ্রুত নবীকরণের আবেদন করা উচিত। এতে অপ্রয়োজনীয় জরিমানা এড়ানোর পাশাপাশি বৈধ নথি নিয়েই রাস্তায় গাড়ি চালানো সম্ভব হবে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক