Recipe: বাজারে প্রায় সব সময় পটলের রমরমা চল। পটলের তরকারি কায়দা করে রান্না না করলে বাড়ির কেউ মুখে নিতে চায় না৷ এদিকে দীর্ঘদিন ই পটল, পটল পোস্ত, পটলের তরকারি কিংবা পটল ভাজা খেতে খেতে একঘেয়ে লাগছে। এমন সময় বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন পটলের একটি জনপ্রিয় পদ ছানা পটল। দুপুরে ভাতের সঙ্গে ছানা পটল একেবারে জমে যাবে।
উপকরণ – ছানা পটল তৈরি করার জন্য লাগবে পটল, ছানা, কাজুবাদাম বাটা, পোস্ত বাটা, চারমগজ বাটা, কিশমিশ কুঁচি, নারকেল কোরা, হলুদ গুঁড়ো, গরম মশলা গুঁড়ো, টক দই, খোয়া ক্ষীর, নুন, চিনি, কাঁচা লঙ্কা চেরা, আদা বাটা, টমেটো কুঁচি, গোটা জিরা, জিরার গুঁড়ো, সর্ষের তেল ও ঘি।

প্রণালী – প্রথমে পটল থেকে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। তবে একেবারে পরিস্কার করে খোসা না ছাড়ালেও চলবে। এরপর পটলের ভিতরে থাকা বীজ সব বের করে পরিস্কার করে ফেলতে হবে। এবার পটলগুলিতে অল্প হলুদ ও নুন মিশিয়ে ভেজে নিন। পটলের পুর তৈরি করার জন্য পটলের বীজ মিক্সিতে নিয়ে হালকা করে মিক্স করে নিন।
কড়াইতে সর্ষের তেল দিয়ে তাতে বেটে রাখা পটলের বীজ, ছানা, নারকেল কোরা, পোস্ত বাটা, খোয়া ক্ষীর দিয়ে সব উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে শুকনো পুর তৈরি করতে হবে। এর উপর থেকে এবার কাজুবাদাম ও কিশমিশ তৈরি করতে হবে। এরপর ভেজে রাখা পটলের মধ্যে তৈরি করা পুর ভরে পটলের মুখে আটা দিয়ে বন্ধ করে দিন।
এবার আগুনে একটি কড়াই বসিয়ে তাতে সামান্য সর্ষের তেল দিয়ে তাতে গোটা জিরে, কাঁচা লঙ্কা ফোড়ন দিতে হবে। এরপর সামান্য আদা বাটা, টমেটো কুঁচি দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন৷ ভালো করে নাড়াচাড়া করার পর টক দই, কাজুবাদাম, চারমগজ বাটা দিয়ে আবারও নাড়িয়ে নিতে হবে। এরপর সামান্য জল দিয়ে স্বাদমতো নুন ও চিনি দিয়ে ফোটাতে হবে।
ঝোল ফুটে উঠলে তাতে ভেজে ও পুর ভরে তৈরি করে রাখা পটলুগুলি দিয়ে দিতে হবে। এরপর ঝোল শুকিয়ে মাখামাখা হয়ে এলে তার মধ্যে গরম মশলা গুঁড়ো ও ঘি দিতে হবে। এরপর তৈরি হয়ে গেলো ছানা পটল যা ভাত বা পোলাওয়ের সঙ্গে দারুণ স্বাদের করে তুলবে।

Hello, I am Biplab Baroi. I have been working in blogging for more than four years. I began my journey in the digital media industry in 2021.
Along with covering daily news and current events, I write articles on tech news, smartphones, and astrology. My work is created strictly for educational purposes use only.