মাসে BMW কেনার মতো বিদ্যুৎ বিল! মুকেশ আম্বানির অ্যান্টিলিয়ার অজানা খরচের গল্প

বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় যাঁর নাম প্রায় নিয়মিতই উঠে আসে, তিনি মুকেশ আম্বানি। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে ভারতের শিল্প জগতে তাঁর প্রভাব অপরিসীম। তবে ব্যবসার সাফল্যের পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত বাসভবন অ্যান্টিলিয়া আজও সাধারণ মানুষের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু।

মুম্বাইয়ের আল্টামাউন্ট রোডে অবস্থিত অ্যান্টিলিয়া শুধু একটি বাড়ি নয়, কার্যত একটি আধুনিক রাজপ্রাসাদ। ১.১২০ একর জমির ওপর নির্মিত এই ২৭ তলা ভবনের নির্মাণ শুরু হয় ২০০৬ সালে এবং শেষ হয় ২০১০ সালে। জানা যায়, ২০০২ সালে মুকেশ আম্বানির সংস্থা মাত্র ২.৫ মিলিয়ন ডলারে এই জমি কিনেছিল, যা আজকের বাজারদরে কল্পনাতীত।

অ্যান্টিলিয়ার ভিতরের সুবিধাগুলি শুনলে যে কারও চোখ কপালে উঠবে। এখানে রয়েছে অত্যাধুনিক জিম, স্পা, ব্যক্তিগত থিয়েটার, বিশাল সুইমিং পুল, টেরেস গার্ডেন, মন্দির এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। এছাড়া ১৫০টিরও বেশি গাড়ি রাখার জন্য পার্কিং সুবিধা ও ৩টি হেলিপ্যাড রয়েছে, যা এই বাড়িকে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও প্রযুক্তি-সমৃদ্ধ আবাসনের তালিকায় নিয়ে গেছে।

তবে অ্যান্টিলিয়াকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি চমক জাগায় এর মাসিক বিদ্যুৎ বিল। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, এই বিশাল ভবনটি প্রতি মাসে প্রায় ৬ লক্ষ ইউনিটেরও বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। যার ফলে মাসিক বিদ্যুৎ বিল দাঁড়ায় প্রায় ৭০ থেকে ৮০ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ, এক মাসের বিদ্যুৎ বিল দিয়েই অনায়াসে একটি বিলাসবহুল BMW বা সমমানের গাড়ি কেনা সম্ভব।

মুকেশ আম্বানির সম্পদের পরিমাণও কম আলোচিত নয়। ফোর্বসের ২০২৫ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৯৬.৬ বিলিয়ন ডলার, যা তাঁকে বিশ্বের ১৮তম ধনী ব্যক্তি হিসেবে স্থান দিয়েছে। ২০২৬ সালে তাঁর অবস্থান কী হবে, তা নিয়ে আগ্রহ রয়েছে অর্থনৈতিক মহলে।

সব মিলিয়ে, অ্যান্টিলিয়া শুধু একটি বাড়ি নয়—এটি মুকেশ আম্বানির সাফল্য, বিলাসিতা ও আধুনিক স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন। আর তার বিদ্যুৎ বিল? তা যে সাধারণ মানুষের কল্পনারও বাইরে, তা বলাই বাহুল্য।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক