কুম্ভ রাশির শনিবার: মানসিক চাপ, সতর্কতা ও শুভ সময়ের পূর্ণ বিশ্লেষণ

শনির নিজ রাশি কুম্ভকে জ্যোতিষশাস্ত্রে বলা হয় শনিদেবের আনন্দময় স্থান। এই রাশির জাতক-জাতিকারা সাধারণত অহংকার, দম্ভ ও পরশ্রীকাতরতা থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করেন। জীবনের পথে এই প্রবৃত্তিগুলি মাথাচাড়া দিলেই বুঝতে হবে, তাঁদের জীবনধারা সঠিক পথে নেই। কুম্ভ রাশির মানুষ সংসারের দুঃখ জয় করে পরমানন্দ লাভ করতে জানেন এবং অফুরন্ত আনন্দবোধই তাঁদের জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এই রাশির জাতকদের মধ্যে অধ্যাত্মচেতনার বিকাশ ঘটে। সংগ্রামী জীবনের প্রকৃত পূর্ণতা আসে মধ্য বয়সের পর। ঈশ্বরভক্তি, সংযম এবং আত্মনিয়ন্ত্রণ তাঁদের চরিত্রের গুরুত্বপূর্ণ দিক। তবে রাশির উপর অশুভ গ্রহের প্রভাব পড়লে আচরণে সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র দেখা দিতে পারে—নৈতিকতার বিচ্যুতি, অসৎ পথে যাওয়ার প্রবণতা এবং কথার মারপ্যাঁচে দক্ষতা প্রকাশ পায়।

২৪ জানুয়ারি ২০২৬, শনিবার: দিনটি কেমন কাটবে

শীতল ষষ্ঠীর এই দিনে কুম্ভ রাশির জাতকদের প্রবল মানসিক চাপ ও চঞ্চলতার মধ্যে দিয়ে দিন কাটতে পারে। কর্মক্ষেত্র, আয় ও অর্থনৈতিক বিষয়ে কিছুটা হতাশা দেখা দেবে। কোনও ঘটনায় মানসিক উৎকণ্ঠা বাড়তে পারে এবং কথার খেলাপ থেকেও সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তবে দিনের মাঝামাঝি অপ্রত্যাশিত যোগাযোগ, দ্রব্য বা অর্থলাভের সম্ভাবনাও রয়েছে। শুভকর্মে অর্থব্যয় এবং অন্যকে সাহায্য করার সুযোগ মিলবে, যা মানসিক শান্তি এনে দেবে। কোনও সুখবর মন ভালো করতে পারে। প্রেম ও দাম্পত্য সম্পর্কে মতবিরোধ দেখা দিলেও তা সাময়িক।

শুভ ও অশুভ সময়

দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময় শুভকাজের পক্ষে অনুকূল থাকে, বিশেষত অমৃতযোগ ও মাহেন্দ্রযোগে। এই সময় চাকরির পরীক্ষা, যাত্রা, কেনাবেচা বা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করলে শুভ ফলের সম্ভাবনা থাকে।
অন্যদিকে বারবেলা, কালবেলা ও কালরাত্রিতে কোনও শুভ কাজ না করাই শ্রেয়, কারণ এই সময় কাজের ফল নিষ্ফল হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

অমৃতযোগ:
সকাল ১০টা–১২টা ৫৩ মিনিট, রাত ৭টা ৫২ মিনিট–১০টা ৩০ মিনিট, ১২টা ১৪ মিনিট–২টো, ২টো ৫২ মিনিট–৪টে ৩৭ মিনিট

বারবেলা:
সকাল ৭টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত, দুপুর ১টা ৯ মিনিট–৩টে ৩১ মিনিট, ৩টে ৫২ মিনিট–সূর্যাস্ত

কালরাত্রি:
রাত ৬টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত, ভোর ৪টে ৪৪ মিনিট–সূর্যোদয়

প্রতিকার ও পরামর্শ

শনিবার ও মঙ্গলবার যেকোনও হনুমান মন্দিরে একটি সুমিষ্ট ফল ও সুগন্ধি ফুল দিয়ে প্রণাম করলে মানসিক ও কর্মজীবনের বাধা কাটতে পারে। ইচ্ছানুসারে দক্ষিণা প্রদান শুভ।

শুভ রং

আকাশি, সাদা, হালকা হলুদ ও হালকা সবুজ রঙের পোশাক আর্থিক ও মানসিক স্থিতি আনতে সহায়ক হবে। বাড়ির রঙ সাদার দিকে রাখলে শুভ ফল মিলতে পারে।

সবশেষে বলা যায়, এই রাশিফল সম্পূর্ণ অনুমানভিত্তিক। নক্ষত্র ও জন্মছকের ভেদে ফলাফলের তারতম্য স্বাভাবিক। এটিকে চূড়ান্ত সত্য না ধরে জীবনপথে একটিমাত্র দিশা হিসেবে গ্রহণ করাই বুদ্ধিমানের।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক