বিগ বসের বাড়ি থেকে কী শিক্ষা পেয়েছেন সায়ক? জানালেন অন্দরমহলের অজানা অভিজ্ঞতা

বিগ বস বাংলার ঘর থেকে সদ্যই বেরিয়েছেন অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী। কয়েক সপ্তাহের এই সফর তাঁর কাছে যেমন ছিল চ্যালেঞ্জিং, তেমনই ছিল একাধিক নতুন অভিজ্ঞতায় ভরা। শো থেকে বেরিয়ে নিজের ভ্লগে বিগ বসের অন্দরমহলের বেশ কিছু অজানা অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন সায়ক। পাশাপাশি জানালেন, এই রিয়্যালিটি শো তাঁকে জীবনের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছে।

সায়কের উপলব্ধি, স্বাভাবিক জীবনে মানুষ যতটা বিলাসিতার সঙ্গে থাকতে অভ্যস্ত, বেঁচে থাকার জন্য আসলে তার খুব সামান্যই প্রয়োজন। বিগ বসের বাড়িতে সেই বিষয়টিই আরও ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন তিনি। তাঁর কথায়, সেখানে কফি কিংবা একটি ডিমের মতো সামান্য খাবার নিয়েও প্রতিযোগীদের মধ্যে যথেষ্ট উত্তেজনা তৈরি হত। অভিনেতা জানান, সপ্তাহের শেষে কার কাছে সবচেয়ে বেশি ডিম জমা রয়েছে, তা নিয়েও যেন আলাদা গুরুত্ব তৈরি হত। মাছ-মাংসের মতো খাবারও সবসময় সহজে পাওয়া যেত না। লাক্সারি বাজেটের মাধ্যমে সেগুলি ঘরে আসত এবং তার জন্য প্রতিযোগীদের বিভিন্ন টাস্ক জিততে হত।

এই খাবার ঘিরেই কখনও কখনও চলত বিনিময় প্রথা। এমনই একটি ঘটনার কথা জানান সায়ক। একটি টাস্কে ঘরে ইলিশ মাছ এসেছিল। তনুশ্রী ইলিশ খান না, অন্যদিকে সায়কের পছন্দের খাবার ইলিশ। তখন সায়কের কাছে ছিল মাত্র দুটো ডিম। তনুশ্রীর সঙ্গে সেই খাবারের বিনিময় করেন তিনি। তনুশ্রী নিজের ভাগের মাছের বদলে সায়কের কাছ থেকে ডিম নেন। সায়কের দাবি, এমন খাবার বিনিময়ের ঘটনা শুধু তাঁদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, অন্য প্রতিযোগীরাও টাস্ক চলাকালীন এভাবে খাবার ‘ট্রেড’ করতেন।

সম্প্রতি সায়কের কান্নার একটি ভিডিয়ো ঘিরেও সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। অনেকেই মনে করেছিলেন, বিগ বসের ঘরে হয়তো তিনি কোনও সমস্যার মধ্যে ছিলেন। তবে সেই ধারণা স্পষ্ট করে দিয়েছেন অভিনেতা। সায়কের বক্তব্য, শোয়ে তিনি বিশেষ কোনও কষ্টে ছিলেন না। দীর্ঘদিন মায়ের সঙ্গে দেখা না হওয়ার মনখারাপ থেকেই তাঁর আবেগ প্রকাশ্যে চলে এসেছিল।

বিগ বসের বাড়ির একটি সুবিধার কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন সায়ক। তাঁর মতে, সেখানে প্রয়োজনীয় জিনিস পাওয়ার জন্য বাইরে গিয়ে কোনও ঝক্কি পোহাতে হত না। বেল বাজালেই সপ্তাহের প্রয়োজনীয় শাকসবজি, ফলমূল, ওষুধ কিংবা কোনও মেরামতির জিনিসপত্র ঘরে পৌঁছে যেত। শরীর খারাপ হলেও প্রয়োজনীয় সামগ্রীর ব্যবস্থা করা থাকত।

এখন কলকাতায় ফিরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন সায়ক। বৃষ্টিভেজা শহরে নিজের গাড়ি চালাতে চালাতেই বিগ বসের বাড়ির দিনগুলির কথা মনে করছেন অভিনেতা। তাঁর কাছে এই সফর নিঃসন্দেহে একটি ভিন্ন অভিজ্ঞতা। তবে দীর্ঘদিন বন্দি অবস্থায় থাকার মতো এমন পরিস্থিতির মধ্যে ভবিষ্যতে আর নিজেকে জড়াতে চান না বলেই জানিয়েছেন সায়ক।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক