‘বিগ বস বাংলা’-র ঘরে উত্তেজনা যেন কিছুতেই কমছে না। লাক্সারি বাজেট টাস্কে হারার পর থেকেই ঘরে দেখা দিয়েছে খাবার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর সংকট। চিনি, ছাতুর মতো সাধারণ জিনিসও ফুরিয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই ‘দাদার দরবার’-এ হাজির হয়ে সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে নিজেদের পছন্দের খাবারের আবদার জানালেন প্রতিযোগীরা।
সবার আগে নিজের ইচ্ছের কথা জানান অভিনেতা জীতু কামাল। তিনি কলকাতা থেকে ছোট সাইজের পাবদা মাছ চেয়ে বসেন। জীতুর পর সোনামণি সাহা চান ছাতু। তনুশ্রী রায়ের প্রয়োজন চিনি, আর ঝিলম গুপ্তের আবদার মুড়ি। একের পর এক প্রতিযোগীর এমন খাবারের তালিকা শুনে মুচকি হাসেন সৌরভ। প্রতিযোগীদের আশ্বস্ত করে তিনি জানান, তাঁদের পছন্দের খাবার পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
তবে খাবারের আবদার পূরণের পাশাপাশি প্রতিযোগীদের জন্য শর্তও রাখেন সৌরভ। তাঁর বার্তা, পরবর্তী টাস্কগুলিতে মন দিয়ে খেলতে হবে এবং প্রত্যেককে নিজের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে হবে।
এদিন রাজবীর দে-র খেলার কৌশল নিয়েও কথা বলেন সৌরভ। অন্য প্রতিযোগীদের খেলা বা স্ট্র্যাটেজিকে প্রভাবিত করার পরিবর্তে নিজের বুদ্ধি ও যোগ্যতার উপর ভরসা করে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। একইসঙ্গে ঘরের পরিবেশ নষ্ট না করে কীভাবে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করা যায়, সেদিকেও রাজবীরকে নজর দিতে বলেন সৌরভ। অন্যদিকে, নতুন প্রতিযোগী অনুষ্কা ঘোষের গেম প্ল্যান নিয়েও আলোচনা হয়। সৌরভের সঙ্গে কথোপকথনের সময় বিষয়টি নিয়ে ঘরের পরিবেশ কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাজবীরও বাড়ির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খোলেন।

রাজবীরের অভিযোগ, বিগ বসের ঘরে এমন একটি নেতিবাচক মানসিকতা তৈরি হয়েছে, যেখানে কে ভালো খেলে বিজয়ী হবে, তার চেয়ে কাকে জিততে দেওয়া হবে না—সেটাই যেন অনেকের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাঁর এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সৌরভও স্পষ্ট করে দেন, অন্যের খেলা আটকানোর চেষ্টা না করে প্রত্যেকের উচিত নিজের খেলায় মন দেওয়া।
সব মিলিয়ে, লাক্সারি বাজেট টাস্কে হারের পর খাবারের সংকট, পছন্দের খাবারের আবদার, নতুন সদস্যের গেম প্ল্যান এবং রাজবীরের অভিযোগ—সব মিলিয়ে ‘বিগ বস বাংলা’-র ঘরের পরিস্থিতি যে ক্রমশ আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে, তা বলাই যায়।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.