Budget 2026: চাকরি, আবাসন ও করছাড়—মধ্যবিত্তের বড় প্রত্যাশার বাজেট

Budget 2026 বা ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটকে ঘিরে দেশের মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবী মানুষের প্রত্যাশা এবার আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। প্রতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ হলেও, এবারের বাজেট বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে একাধিক কারণে। এটি বর্তমান আয়কর আইনের অধীনে শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট হতে চলেছে। আগামী আর্থিক বছর থেকেই কার্যকর হতে পারে নতুন আয়কর আইন ২০২৫, যা দশকের পুরনো কর কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আনবে।

এই প্রেক্ষাপটে চাকরি, আয়কর, আবাসন এবং স্বাস্থ্য ব্যয়—এই চারটি বিষয়কে সামনে রেখে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো সরকারের কাছ থেকে বড় স্বস্তির আশা করছে।

কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে জোরের দাবি

২০২৬ সালের বাজেটে কর্মসংস্থান সৃষ্টি অন্যতম প্রধান ইস্যু হয়ে উঠেছে। মধ্যবিত্তদের প্রত্যাশা, সরকার যেন নতুন চাকরি তৈরির পাশাপাশি স্কিল ডেভেলপমেন্ট বা দক্ষতা উন্নয়নে আরও বেশি বিনিয়োগ করে। বিশেষ করে যুব সমাজের জন্য প্রযুক্তি, পরিষেবা ও উৎপাদন ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হলে পারিবারিক আয় বাড়বে বলে মনে করছেন অনেকেই।

এছাড়াও, এমএসএমই (MSME) খাতে সহজ ঋণ ও আর্থিক সহায়তা বাড়ালে স্ব-কর্মসংস্থানের পথ খুলবে। ছোট ব্যবসা ও স্টার্টআপে উৎসাহ দিলে গ্রাম ও শহর—দুই ক্ষেত্রেই কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বাড়বে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

পুরনো কর ব্যবস্থায় থাকা করদাতাদের হতাশা

গত বাজেটে নতুন কর ব্যবস্থায় বড় ছাড় ঘোষণা করা হয়েছিল। বার্ষিক ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত হওয়ায় নতুন কর ব্যবস্থার প্রতি ঝোঁক বাড়ে। কিন্তু এখনও বহু করদাতা পুরনো কর ব্যবস্থাকেই বেশি নিরাপদ ও লাভজনক মনে করেন, কারণ সেখানে সঞ্চয়ভিত্তিক একাধিক ছাড় রয়েছে।

পুরনো কর ব্যবস্থায় থাকা করদাতারা পিএফ, জীবনবিমা, স্বাস্থ্যবিমা ও গৃহঋণের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ে অভ্যস্ত। তাঁদের দাবি, বর্তমানে ২.৫ লক্ষ টাকার মৌলিক করমুক্ত সীমা বাড়ানো হোক। পাশাপাশি, ধারা ৮০সি-র অধীনে ১.৫ লক্ষ টাকার ছাড়ের সীমা অন্তত ২ লক্ষ টাকায় উন্নীত করার জোরালো দাবি উঠেছে।

আবাসন ও স্বাস্থ্য ব্যয়ে করছাড়ের প্রত্যাশা

ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির চাপে সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বেশি খরচ বাড়ছে বাসস্থান ও চিকিৎসায়। শহরাঞ্চলে বাড়ির দাম যেভাবে বাড়ছে, তার তুলনায় গৃহঋণের সুদের উপর ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করছাড় অনেকের কাছেই অপর্যাপ্ত বলে মনে হচ্ছে।

মধ্যবিত্তদের দাবি, গৃহঋণের সুদের ছাড়ের সীমা বাড়ানো হোক এবং স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়ামের উপর অতিরিক্ত করছাড় দেওয়া হোক। এতে একদিকে যেমন চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ কমবে, তেমনই মানুষ ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ সঞ্চয়ে উৎসাহিত হবে।

নতুন কর ব্যবস্থায় আরও মানবিক ছাড়ের দাবি

যাঁরা নতুন কর ব্যবস্থাকে বেছে নিতে চান, তাঁরাও চাইছেন সেখানে যেন অন্তত কিছু মৌলিক ছাড় রাখা হয়। বিশেষ করে স্বাস্থ্যবিমা ও গৃহঋণ সংক্রান্ত করছাড় নতুন কর ব্যবস্থায় যুক্ত হলে, সেটি মধ্যবিত্তদের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবে।

সব মিলিয়ে, Budget 2026 শুধুমাত্র সরকারের আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং মধ্যবিত্তের ভবিষ্যৎ আর্থিক স্বস্তির দিকনির্দেশক হতে চলেছে। এখন দেখার, অর্থমন্ত্রী কতটা প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেন।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক