পর্দায় ‘নো কিসিং’ নীতি: সলমন থেকে সাঁই—তারকাদের নিজস্ব সীমারেখা

চরিত্রের প্রয়োজনে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের অনেক সময়ই নানা সীমা অতিক্রম করতে হয়। তবুও ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য, পারিবারিক মূল্যবোধ বা নিজস্ব নীতির কারণে অনেক তারকাই পর্দায় অন্তরঙ্গ চুম্বন দৃশ্যে অভিনয় এড়িয়ে চলেন। কেউ দীর্ঘদিন এই নীতিতে অটল থেকেও পরে পরিবর্তন এনেছেন, আবার কেউ এখনও নিজের সিদ্ধান্তে অনড়।

নীতি বদলেছেন যারা

কাজল
দীর্ঘ কেরিয়ারে চুম্বন দৃশ্য এড়িয়ে চললেও পরে চরিত্রের প্রয়োজনে সিদ্ধান্ত বদল করেন। যীশু সেনগুপ্ত-র সঙ্গে একটি সিরিজে তাঁর অনস্ক্রিন চুম্বন আলোচনায় আসে। কাজলের মতে, এটি শুধুই দৃশ্য নয়, চরিত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।

শাহরুখ খান
‘রোম্যান্সের বাদশা’ হিসেবেই পরিচিত হলেও দীর্ঘদিন চুম্বন দৃশ্য থেকে দূরে ছিলেন। পরে যশ চোপড়া-র যব তক হ্যায় জান ছবিতে সেই নীতি ভাঙেন।

তামান্না ভাটিয়া
প্রায় ১৮ বছর ‘নো কিসিং’ নীতি মেনে চলার পর সুজয় ঘোষ-র লাস্ট স্টোরিজ ২-এ অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করেন। তাঁর মতে, চিত্রনাট্যের প্রয়োজনই ছিল মূল কারণ।

এখনও অনড় যারা

সলমন খান
বলিউডের ‘ভাইজান’ আজও পর্দায় ঠোঁটঠাসা চুম্বন থেকে দূরে। ব্যক্তিগত অস্বস্তি এবং পারিবারিক ভাবমূর্তিই এর প্রধান কারণ।

সোনাক্ষী সিনহা
স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চুম্বন দৃশ্যের কারণে কাজ হাতছাড়া হলেও নিজের সিদ্ধান্ত বদলাবেন না।

ববি দেওল
শুটিং সেটে এমন দৃশ্যে অস্বস্তি বোধ করেন। অ্যানিম্যাল ছবিতে একটি চুম্বন দৃশ্য থাকলেও তা পরে বাদ দেওয়া হয়।

রীতেশ দেশমুখ
দীর্ঘদিন এই ধরনের দৃশ্য এড়িয়ে চলেন। তবে পরে স্ত্রী জেনেলিয়া ডি’সুজা-র সঙ্গে একটি ছবিতে ব্যতিক্রম করেন।

সাঁই পল্লবী
দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী ব্যক্তিগত লজ্জা ও অস্বস্তির কারণে অনস্ক্রিন চুম্বন দৃশ্য করেন না।

উপসংহার

পর্দায় বাস্তবতা ফুটিয়ে তুলতে অভিনেতাদের অনেক সীমা ছাড়াতে হলেও, ব্যক্তিগত মূল্যবোধের জায়গা অনেকের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। তাই কেউ পেশাগত প্রয়োজনে সিদ্ধান্ত বদলালেও, কেউ আবার নিজের নীতিতে অটল থেকেই সফল ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছেন।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক