বন্ধুত্বের আড়ালে ভয়ঙ্কর ফাঁদ! পরিচিত যুবকদের দিয়ে বান্ধবীকে ধর্ষণের ছক! দুর্গাপুর কাণ্ডে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

দুর্গাপুরে নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন তথ্য। পুলিশি তদন্ত ও পরিবার সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তদের মধ্যে থাকা এক তরুণী পরিকল্পিতভাবে নির্যাতিতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরেই নাবালিকাকে অভিযুক্ত যুবকদের সংস্পর্শে আনা হয় বলে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান।

জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত তরুণী এবং নির্যাতিতা দু’জনেই বুদবুদ এলাকার বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে আগে পরিচয় থাকলেও খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল না। সম্প্রতি যোগাযোগ বাড়ার পর দুই কিশোরীর মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। অভিযোগ, সেই সুযোগকেই কাজে লাগানো হয়। নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত তরুণীই কয়েকজন যুবকের সঙ্গে নাবালিকার পরিচয় করিয়ে দেন এবং ধীরে ধীরে তাঁদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি হয়।

তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্ত যুবকদের মধ্যে একজনের স্থানীয় বাজার এলাকায় ব্যবসা রয়েছে। অভিযোগ, অভিযুক্ত তরুণী ও তিন যুবক মিলে পরিকল্পিতভাবে নাবালিকার বিশ্বাস অর্জন করেন। এরপর ঘুরতে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়ে তাঁকে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট দিনে নাবালিকাকে একটি চারচাকা গাড়িতে তুলে দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার এলাকার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবারের অভিযোগ, যাত্রাপথে তাঁকে মাদক বা অ্যালকোহলজাতীয় কিছু পান করানো হয়েছিল। পরে তাঁকে একটি বেসরকারি হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে একটি কক্ষ ভাড়া নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

অভিযোগ, হোটেলের ওই কক্ষেই নাবালিকার উপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়। ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্ত তরুণীকেও গ্রেপ্তার করে আদালতে তোলা হয়েছে।

এই ঘটনার পর হোটেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নাবালক বা নাবালিকার ক্ষেত্রে হোটেলে থাকার জন্য নির্দিষ্ট পরিচয় যাচাই এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র পরীক্ষা করা জরুরি। ফলে কীভাবে ওই নাবালিকা প্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে হোটেলের কক্ষে প্রবেশ করল, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। পরিচয়পত্র যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কোনও গাফিলতি হয়েছিল কি না, কিংবা নিয়ম ভঙ্গ করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

পুলিশ ইতিমধ্যেই হোটেলের ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও এক অভিযুক্ত এখনও পলাতক। তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে ষড়যন্ত্রের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

এই ঘটনা সামনে আসার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নাবালিকার নিরাপত্তা, অপরাধের পরিকল্পনা এবং হোটেলের ভূমিকা—সবকিছু নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনার আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক