যাঁর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন, তিনিই কি আপনার ‘সোলমেট’? জ্যোতিষের ইঙ্গিত কী বলছে

ভালবাসার সম্পর্ক মানেই যে সব সময় হাসি, আনন্দ আর সুখের রঙিন মুহূর্ত— তা কিন্তু নয়। যে কোনও গভীর সম্পর্কে ঝগড়া, ভুল বোঝাবুঝি, মান-অভিমান আর মানসিক চাপ আসবেই। কিন্তু এই কঠিন সময়েই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে— যাঁর জন্য এত কষ্ট, এত আবেগ আর এত অপেক্ষা, তিনি কি সত্যিই আমার জীবনের সঠিক মানুষ? নাকি এই সম্পর্ক শুধুই অভ্যাস বা ভয় থেকে আঁকড়ে ধরা?

জ্যোতিষশাস্ত্র ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস অনুযায়ী, জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কগুলি হঠাৎ করে তৈরি হয় না। ভাগ্য, কর্মফল এবং দৈবশক্তি মিলিয়েই নাকি সঠিক সময়ে সঠিক মানুষের সঙ্গে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেয়। অনেক সময় এই মানুষটিকে চিনে নিতে হয় নিজের অনুভূতি, অভিজ্ঞতা আর অন্তর্দৃষ্টির মাধ্যমে।

জ্যোতিষ মতে, সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হল— ঝগড়া বা সমস্যার পরেও দু’জনের আলাদা হয়ে যাওয়ার ইচ্ছা না হওয়া। ভুল বোঝাবুঝি সত্ত্বেও যদি দু’জনেই সম্পর্কটা ঠিক করার চেষ্টা করেন, নিজের দোষ স্বীকার করেন এবং সময় দিয়ে সমস্যার সমাধান খোঁজেন, তা হলে সেটি নিছক আবেগ নয়, বরং দায়িত্ববোধের পরিচয়। জ্যোতিষীরা মনে করেন, এই দায়িত্ববোধই ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গীর অন্যতম লক্ষণ।

সঠিক মানুষের সঙ্গে থাকলে মানসিক শান্তি পাওয়া যায়— এমনটাই দাবি জ্যোতিষশাস্ত্রের। তাঁর সামনে নিজের দুর্বলতা প্রকাশ করতে ভয় লাগে না। বিচার বা উপহাসের আশঙ্কা ছাড়াই মনের কথা বলা যায়। জীবনের কঠিন পরিস্থিতিতে সেই মানুষটির উপস্থিতিই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় শক্তি। এই মানসিক নিরাপত্তা সাধারণ সম্পর্কের চেয়ে অনেক গভীর কিছু নির্দেশ করে।

অনেক সম্পর্কেই দেখা যায়, কথা বলার আগেই সঙ্গী বুঝে ফেলেন আপনার মনের অবস্থা। আপনার মন খারাপ, দুশ্চিন্তা বা আনন্দের কারণ সে নিজে থেকেই অনুভব করতে পারে। জ্যোতিষ মতে, এটিকে বলা হয় গভীর মানসিক সংযোগ— যা কেবল সময় কাটানোর সম্পর্ক নয়, বরং দু’টি আত্মার মিলনের ইঙ্গিত। আপনার অনুভূতিকে গুরুত্ব দিয়ে সঙ্গী যদি নিজের আচরণ বদলাতে চেষ্টা করেন, তা হলে সেটিকে ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গীর লক্ষণ হিসেবেই দেখা হয়।

এক্ষেত্রে অন্তর্দৃষ্টি বা ষষ্ঠেন্দ্রিয়ের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় যুক্তি দিয়ে বোঝানো না গেলেও হৃদয়ের গভীর থেকে একটা অনুভূতি কাজ করে— এই মানুষটির সঙ্গেই জীবন কাটাতে চান। রাগ, অভিমান বা কঠিন সময়েও যদি সেই অনুভূতি না বদলায়, জ্যোতিষ মতে সেটি হালকাভাবে নেওয়ার নয়। কারণ এই অনুভূতিকে দৈবশক্তির সংকেত বলেই ধরা হয়।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হল সম্পর্কের স্থায়িত্ব। বাইরের মানুষ, পরিস্থিতি বা নানা বাধা বারবার সম্পর্ক ভাঙার চেষ্টা করলেও যদি তা সফল না হয়, তবে জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী সেটি শক্ত বন্ধনের চিহ্ন। সঠিক মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক হলে, নানা পরীক্ষার মধ্য দিয়েও ভাগ্য নিজেই সেই সম্পর্ককে রক্ষা করে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, যাঁর সঙ্গে আপনি সম্পর্কে রয়েছেন তিনিই আপনার জীবনের ‘দ্য ওয়ান’ কি না, তার উত্তর অনেক সময় বাইরের যুক্তিতে নয়, লুকিয়ে থাকে আপনার নিজের অনুভূতি, মানসিক শান্তি আর সম্পর্কের গভীরতার মধ্যে। যুক্তি, আবেগ ও অন্তর্দৃষ্টি— এই তিনের সমন্বয়েই সঠিক মানুষটিকে চেনা সম্ভব। যদি সব ঝড় সামলেও মনে হয় এই মানুষটির সঙ্গেই জীবন কাটাতে চান, তবে হয়তো বিশ্বসংসার আপনাকে ইতিমধ্যেই উত্তর দিয়ে দিয়েছে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক