বলিউডে এক সময় হৃতিক রোশন ও কঙ্গনা রনৌতের সম্পর্ক ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক ছিল চরম আলোচিত। প্রেম থেকে আইনি লড়াই—সব মিলিয়ে সেই অধ্যায় দীর্ঘ দিন ধরে শিরোনামে থেকেছে। দশ বছর পর সেই পুরনো ক্ষত যেন আবার নতুন করে উস্কে দিলেন কঙ্গনা নিজেই।
সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে ২০১৬ সালের স্মৃতি ভাগ করে নেওয়ার একটি ট্রেন্ড শুরু হয়েছে। সেই ট্রেন্ডে অংশ নিয়ে কঙ্গনাও একাধিক ছবি পোস্ট করেন। ছবিগুলির মধ্যে যেমন ছিল তাঁর নিজের ছবি, তেমনই ছিল ‘রঙ্গুন’ ছবির সহ-অভিনেতা শাহিদ কপূরের সঙ্গে তোলা মুহূর্ত। কিন্তু ছবির থেকেও বেশি নজর কেড়েছে তাঁর লেখা দীর্ঘ ক্যাপশন।
ক্যাপশনে কঙ্গনা লেখেন, ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসের আগে পর্যন্ত তাঁর জীবন ছিল একেবারে অন্য রকম। একের পর এক সফল ছবি—‘কুইন’, ‘তনু ওয়েডস মনু’র মতো হিট সিনেমা তাঁকে পৌঁছে দিয়েছিল বলিউডের প্রথম সারিতে। সেই সময় তিনি ছিলেন সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রীদের অন্যতম। কিন্তু হঠাৎই এক ‘সহকর্মী’র পাঠানো আইনি নোটিস তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
কঙ্গনার কথায়, ওই নোটিসের পর থেকেই ইন্ডাস্ট্রিতে বহিরাগত ও অন্দরের লোকেদের বিভাজন স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাঁর কেরিয়ার নাটকীয় ভাবে বদলে যায়, কাজের সুযোগ কমতে থাকে এবং ব্যক্তিগত জীবনও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। অভিনেত্রীর ভাষায়, সেই সময় তাঁর মনে হয়েছিল, “জীবনটা বিষিয়ে গিয়েছে, যেন নরকে বাস করছি।”
যদিও কঙ্গনা পোস্টে কারও নাম উল্লেখ করেননি, তবে অনুরাগী ও নেটিজেনদের একাংশের মতে, এই ‘সহকর্মী’ বলতে তিনি পরোক্ষে হৃতিক রোশনকেই ইঙ্গিত করেছেন। কারণ ২০১৬ সালেই হৃতিকের সঙ্গে তাঁর ই-মেল বিতর্ক ও দীর্ঘ আইনি লড়াই প্রকাশ্যে আসে। সেই মামলায় শেষ পর্যন্ত আদালতে হার মানতে হয় কঙ্গনাকেই।
বর্তমানে কঙ্গনা রনৌত অভিনয়ের পাশাপাশি সক্রিয় রাজনীতিতে। অন্য দিকে, হৃতিক রোশন তাঁর ব্যক্তিগত জীবনেও নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন, সাবা আজ়াদের সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন তিনি। তবু অতীতের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা যে আজও কঙ্গনার মনে গভীর ছাপ রেখে গেছে, তাঁর সাম্প্রতিক পোস্টেই তা স্পষ্ট।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.