এ বার ফের বিতর্কের কেন্দ্রে অভিনেত্রী তথা সাংসদ কঙ্গনা রনৌত। তাঁর নিশানায় এ বার খ্যাতনামা পোশাকশিল্পী মাসাবা গুপ্ত। কঙ্গনার অভিযোগ, অযোধ্যা সফরের সময় মাসাবার ডিজাইন করা শাড়ি পরতে চাইলেও তাতে আপত্তি জানানো হয়েছিল। এই ঘটনাকে ‘ভেদাভেদ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
ঘটনাটি ঘটেছিল ‘তেজস’ ছবির প্রচারপর্বে। সেই সময় ছবির প্রযোজকদের তরফে পোশাকশিল্পী হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন মাসাবা গুপ্ত। কঙ্গনার দাবি, ছবির প্রচারের মধ্যেই তাঁর অযোধ্যা যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। সেই প্রসঙ্গ উঠতেই নাকি মাসাবা তাঁর তৈরি শাড়ি অযোধ্যায় পরা নিয়ে অনীহা প্রকাশ করেন।
কঙ্গনার কথায়, সাধারণত পোশাকশিল্পীরা চান তাঁদের ডিজাইন করা পোশাক তারকারা প্রকাশ্যে পরুন। কিন্তু এই ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। অভিনেত্রীর দাবি, মাসাবার শাড়ি পরেই তিনি অযোধ্যা গিয়েছিলেন এবং সেই ছবি সমাজমাধ্যমে ভাইরালও হয়েছিল। তা সত্ত্বেও মাসাবা সেই ছবি নিজের সমাজমাধ্যমে শেয়ার করেননি।
এখানেই শেষ নয়। কঙ্গনার অভিযোগ, তাঁর স্টাইলিস্টকেও নাকি বলা হয়েছিল, অযোধ্যা সফরের ছবিতে যেন মাসাবাকে ট্যাগ না করা হয়। পরিস্থিতি এতটাই অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছিল যে, শেষ পর্যন্ত স্টাইলিস্ট নিজের পকেট থেকে শাড়ির দাম মিটিয়ে দেন এবং কঙ্গনাকে অনুরোধ করেন মাসাবাকে ট্যাগ না করতে।
এই অভিজ্ঞতা তাঁকে গভীরভাবে আঘাত করেছে বলেও জানান কঙ্গনা। তাঁর বক্তব্য, বহু পোশাকশিল্পী তাঁকে নিষিদ্ধ করে রেখেছেন—এ নিয়ে তিনি বিশেষ মাথা ঘামান না। কিন্তু অযোধ্যা ও রামমন্দিরের সঙ্গে সংযোগ এড়ানোর এই মানসিকতা তাঁকে আজও মানসিকভাবে অসুস্থ করে তোলে।
কঙ্গনার মতে, রামমন্দিরের সঙ্গে কোনও রকম সম্পর্ক রাখতে না চাওয়ার কারণেই মাসাবা এই অবস্থান নিয়েছিলেন। যদিও এই অভিযোগ প্রসঙ্গে এখনও পর্যন্ত মাসাবা গুপ্ত বা তাঁর টিমের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনার পর বলিউডে ব্যক্তিগত বিশ্বাস, রাজনীতি ও পেশাদার সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

Hello, I am Biplab Baroi. I have been working in blogging for more than four years. I began my journey in the digital media industry in 2021.
Along with covering daily news and current events, I write articles on tech news, smartphones, and astrology. My work is created strictly for educational purposes use only.