এবার ছাত্রীদের চাকরির বাজারে কর্মদক্ষ করে তুলতে বিশেষ প্রযুক্তি নির্ভর ক্লাস শুরু করতে চলেছে লরেটো কলেজ। বর্তমানে কৃত্রিম মেধা পড়ুয়াদের নতুন শিক্ষক তা এবার হাতে কলমে দেখিয়ে দিতে এই বিশেষ প্রশিক্ষণ শুরু করতে চলেছে লরেটো কলেজ। এই কারণে লরেটো কলেজের তরফে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ওয়াধওয়ানির ফাউন্ডেশনের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করা হয়েছে।
কৃত্রিম মেধার সাহায্য ছাত্রীরা কীভাবে উপকৃত হবেন সে বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে কলেজের টিচার ইনচার্জ এ নির্মলা বলেন, “বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে কাজের বাজারে প্রত্যেক মুহূর্তে পরিবর্তন ঘটছে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তাই দক্ষতারও বদল দরকার। ছাত্রীরা যাতে সময়োপযোগী দক্ষতার অধিকারী হয়ে ওঠে এবং যোগ্যতার সঙ্গে দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে সহজেই চাকরি পায়, তাই এই উদ্যোগ।”
জানা যাচ্ছে, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই পাঠ দেওয়া হবে। এই পাঠক্রমে বিশেষ চারটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেগুলি হলো-যোগাযোগ, পেশাদারিত্ব, ক্রেতা সংযোগ ও উদ্ভাবন। এই পাঠক্রম শেষ হওয়ার পর প্রতিটি ছাত্রীকে শংসাপত্র তুলে দেওয়া হবে। লরেটো কলেজের তরফে কৃত্রিম মেধা নির্ভর ১১৩ ঘন্টার ‘এমপ্লয়েবিলিটি স্কিলস্’ পাঠক্রম চালু হতে চলেছে। চলতি বছরের নভেম্বর মাসে এই পাঠক্রম চালু হওয়ার কথা রয়েছে।
কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রীদের নিয়ে নভেম্বর মাস থেকে চালু হতে চলেছে এই পাঠক্রম। অর্থাৎ যারা তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া তাদের নিয়ে এই পাঠক্রম চালু হবে। পাঠক্রমটির বিষয়ে শিক্ষাদানের জন্য চারজন শিক্ষক থাকবে। তবুও এটি যেহেতু প্রযুক্তি নির্ভর হতে চলেছে তাই শিক্ষকদের ভূমিকা অনেকটাই কম। এই শিক্ষাদানের মাধ্যমে পড়ুয়ারা নিজেদের চাকরির বাজারে আরও উন্নীত করতে পারবে।
প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে তাদের অবস্থান এবং কেউ যদি ব্যবসা করতে চান তবে সেই বিষয়ে তাদের দক্ষতা সহ একাধিক জিনিস তারা এই পাঠক্রমের মধ্যে দিয়ে উপলব্ধি করতে পারবেন। যদিও এবার তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়াদের জন্য এই পাঠক্রম চালু হতে চলেছে। তবে এরপর থেকে সকল বর্ষের পড়ুয়া যোগ দিতে পারবেন বলে জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.