একদিকে বলিউড অভিনেতা নানা পাটেকরের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বিনোদন জগৎ, অন্যদিকে আরও এক দুঃসংবাদ। প্রয়াত প্রবীণ মারাঠি অভিনেত্রী মধু কাম্বিকর। নানা পাটেকরের মৃত্যুর মাত্র চার দিনের মাথায় তাঁর প্রয়াণের খবর সামনে আসায় শোকের আবহ আরও গভীর হয়েছে। মারাঠি সিনেমা ও মঞ্চজগতের পরিচিত মুখ ছিলেন এই বর্ষীয়ান অভিনেত্রী।
সূত্রের খবর, গত সোমবার পুণেতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন মধু কাম্বিকর। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। স্ট্রোকের পর থেকেই একাধিক শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন অভিনেত্রী। তাঁর প্রয়াণে মারাঠি বিনোদন জগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
মধু কাম্বিকর ও নানা পাটেকরের মধ্যে ছিল পর্দার এক বিশেষ সম্পর্ক। বয়সে নানা পাটেকরের চেয়ে মাত্র দু’বছরের ছোট হওয়া সত্ত্বেও একাধিক ছবিতে তাঁর মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন মধু। ১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘হাম দোনো’ এবং ১৯৯৭ সালের ‘যশবন্ত’ ছবিতে নানা পাটেকরের মায়ের ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল তাঁকে। ১৯৯৫ সালের ‘হাম দোনো’ ছবিতে নানা পাটেকরের পাশাপাশি অভিনয় করেছিলেন ঋষি কাপুর ও পূজা ভাট। সেই ছবিতেই অভিনেতার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের নজর কেড়েছিলেন মধু কাম্বিকর। পর্দায় বয়সের ব্যবধানকে ছাপিয়ে তাঁর সাবলীল অভিনয় প্রশংসা কুড়িয়েছিল।
মারাঠি শিল্পজগতের পরিচিত মুখ ছিলেন মধু
শুধু সিনেমা নয়, মারাঠি থিয়েটার, টেলিভিশন এবং লোকশিল্পের জগতেও নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়েছিলেন মধু কাম্বিকর। বিশেষ করে তাঁর ‘লাবণী’ নৃত্যশৈলীর জন্য তিনি পরিচিত ছিলেন। অভিনয়ের পাশাপাশি লোকশিল্পের প্রতি তাঁর অবদানও তাঁকে স্বতন্ত্র পরিচিতি দিয়েছিল।

‘হেচ মাঝা মাহের’, ‘জাপটলেলা’, ‘দেবু’ এবং ‘ইয়েউ কা ঘরাত’-এর মতো একাধিক মারাঠি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে নিজের দক্ষতা ও স্বতন্ত্র শিল্পীসত্তার মাধ্যমে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী।
গত ৮ অক্টোবর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন নানা পাটেকর। তাঁর মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই মধু কাম্বিকরের প্রয়াণের খবর সামনে এল। নানা পাটেকরের সঙ্গে পর্দায় তাঁর মা-ছেলের সম্পর্কের স্মৃতি আরও একবার ফিরে এসেছে অনুরাগীদের মনে। দুই শিল্পীর পরপর প্রয়াণে শোকের আবহ মারাঠি বিনোদন জগতে।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.