গভীর সমুদ্রে ‘কৃষ্ণের শহর’ দেখে এলেন নরেন্দ্র মোদি! Sangbad Bhavan
সম্প্রতি সমুদ্রের গভীরে গিয়ে শ্রীকৃষ্ণের পুজো করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পুজো দিয়ে এসে নিজেই জানালেন সেই অভিজ্ঞতার কথা। আরব সাগরের তীরে থাকা দ্বারকা শহর একসময় শ্রীকৃষ্ণের বাসস্থান ছিল বলে কথিত আছে। আর সেই স্থানে গিয়েই জলের তলায় পুজো দিয়ে আসলেন প্রধানমন্ত্রী। দ্বারকা শহর সমুদ্রের অতলে রয়েছে। সেখানেই ডুবুরির সাহায্যে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সঙ্গে নিয়েছিলেন ময়ূরের পালক।

মোদি জানিয়েছেন, প্রাচীন দ্বারকা শহরে গিয়ে শ্রীকৃষ্ণের পুজো দেওয়া একটি ঐশ্বরিক অভিজ্ঞতা। মোদি তার এক্স হ্যান্ডেলে সেই ছবিও পোস্ট করেছেন। সঙ্গে রয়েছে ভিডিও। রবিবার এই ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। মোদি পুজো দেওয়ার ছবি ও ভিডিও পোস্ট করে বলেন, “জলের নীচে ডুবে থাকা দ্বারকা শহরে প্রার্থনা করা এক ঐশ্বরিক অভিজ্ঞতা। আমি আধ্যাত্মিক মহিমা এবং ভক্তির একটি প্রাচীন যুগের সঙ্গে সংযোগ অনুভব করেছি। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমাদের সকলকে আশীর্বাদ করুন।”
পোস্ট করা ছবিতে প্রধানমন্ত্রীকে দেখা গিয়েছে গেরুয়া বস্ত্র পরে থাকতে। সঙ্গে নিয়েছেন একগুচ্ছ ময়ূরের পালক। এরপর পঞ্চকুনি সৈকতে পৌঁছে স্কুবা ডাইভিং করে দ্বারকা নগরীর দর্শন করেন মোদী। নিরাপত্তার জন্য তার সঙ্গে ছিল স্কুবা গিয়ার। সমুদ্রের নীচে শ্রীকৃষ্ণের পুজো দেওয়ার পর ময়ূরের পালকগুলি সেখানে পুঁতে দিয়ে আসেন মোদি।

দ্বারকা দর্শন করার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি সমাবেশে যোগদান করে বলেন, “আজ আমার ঐশ্বরিক অভিজ্ঞতা হয়েছে। সমুদ্রের গভীরে গিয়ে প্রাচীন দ্বারকা শহর দেখে এসেছি। আমাদের ধর্মগ্রন্থে দ্বারকা সম্পর্কে অনেককিছু লেখা রয়েছে। এই শহরে একটি সুন্দর প্রবেশদ্বার ছিল। ছিল উঁচু উঁচু ভবন। এই শহর নিজেই তৈরি করেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ।”

কথিত রয়েছে, কৃষ্ণ পৃথিবী থেকে বিদায়ের পর দ্বারকা শহরকে গ্রাস করে নেয় সমুদ্র। তাই দ্বারকার সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িয়ে রয়েছেন শ্রীকৃষ্ণ। মনে করা হয়, কংসকে নিধন করার পর দ্বারকায় এসে বসবাস শুরু করেন শ্রীকৃষ্ণ। দ্বারকাধীশ মন্দিরে পুজো দিতে যাওয়ার সময় ওইদিন প্রধানমন্ত্রী ‘সুদর্শন সেতু’ উদ্বোধন করেন। এই সেতুটি দেশের দীর্ঘতম কেবল সেতু। এটি ওখা ও ভেট দ্বারকাকে যুক্ত করেছে।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.