গরম পড়তেই বাজারে পটলের আনাগোনা বেড়ে যায়। বর্ষা ও শরৎকাল পর্যন্ত এই সবজির কদর থাকে। তবে প্রায় প্রতিদিন আলু-পটলের তরকারি, মাছের ঝোল বা সাধারণ ভাজা খেতে খেতে অনেকেরই একঘেয়েমি চলে আসে। সেই একঘেয়েমি কাটাতে পটল দিয়েই তৈরি করা যায় ভিন্ন স্বাদের একটি পদ—‘পটল বাহার’। মুগ ডাল, টম্যাটো ও কয়েকটি সাধারণ মশলার সংমিশ্রণে তৈরি এই রান্না যেমন পুষ্টিকর, তেমনই সুস্বাদু। গরম ভাতের সঙ্গে এটি অনায়াসে মধ্যাহ্নভোজের আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে।
কী কী লাগবে
*পটল – ৪টি

*ভেজানো মুগ ডাল – আধ কাপ
*আদা বাটা – আধ ইঞ্চি পরিমাণ
*কাঁচালঙ্কা – ২-৩টি
*জিরে – ১ চা-চামচ
*তেজপাতা – ১টি
*হলুদ গুঁড়ো – ১ চা-চামচ
*লঙ্কা গুঁড়ো – ১ চা-চামচ
*টম্যাটো কুচি – ১টি ছোট
*ঘি – ১ টেবিল চামচ
*গরম মশলা – ১ চা-চামচ
*নুন ও সামান্য চিনি স্বাদমতো
*রান্নার জন্য প্রয়োজনমতো তেল
প্রস্তুতির ধাপ
প্রথমে পটলের খোসা হালকা ছাড়িয়ে খাঁজ কেটে বা অর্ধেক করে নিন। এরপর নুন ও হলুদ মাখিয়ে অল্প তেলে হালকা ভেজে তুলে রাখুন। অন্যদিকে মুগ ডাল অন্তত এক ঘণ্টা জলে ভিজিয়ে রাখলে দ্রুত সেদ্ধ হবে এবং স্বাদও ভালো হবে।
রান্নার পদ্ধতি
কড়াইয়ে তেল ও সামান্য ঘি গরম করে তাতে জিরে, তেজপাতা এবং কাঁচালঙ্কা ফোড়ন দিন। এরপর আদা বাটা ও টম্যাটো দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন। এবার ভেজানো মুগ ডাল দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নুন, হলুদ ও লঙ্কার গুঁড়ো মিশিয়ে দিন।
অল্প গরম জল দিয়ে ডাল সেদ্ধ হতে দিন। ডাল আধসেদ্ধ হয়ে এলে আগে থেকে ভেজে রাখা পটল যোগ করুন। প্রয়োজনমতো চিনি দিয়ে সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন, যাতে ডাল ও পটলের স্বাদ একে অপরের সঙ্গে মিশে যায়।
সবশেষে ঘি ও গরম মশলা ছড়িয়ে চুলা বন্ধ করুন। কয়েক মিনিট ঢেকে রাখলে সুগন্ধ আরও ভালোভাবে ছড়িয়ে পড়বে।
পরিবেশনের পরামর্শ
এই ‘পটল বাহার’ গরম ভাতের সঙ্গে সবচেয়ে ভালো লাগে। চাইলে রুটি বা পরোটার সঙ্গেও পরিবেশন করা যায়। সাধারণ উপকরণে তৈরি হলেও মুগ ডালের স্বাদ ও পটলের কোমলতা এই পদকে আলাদা মাত্রা দেয়। পরিবারের দৈনন্দিন মেনুতে নতুনত্ব আনতে এই সহজ রেসিপি একবার অবশ্যই চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
Sumi has been waiting lifestyle, vastu Tips since 2026.