পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন Suvendu Adhikari। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর রাজ্যে সরকার বদলের ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে যেমন আলোচনা চলছে, তেমনই বিনোদন জগতেও শুরু হয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। এই পরিস্থিতিতেই অভিনেতা Rishav Basu শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক সফরকে একেবারে সিনেমার গল্পের সঙ্গে তুলনা করলেন।
এক সাক্ষাৎকারে ঋষভ বলেন, শুভেন্দুর রাজনৈতিক জীবন এমন এক নাটকীয় যাত্রা, যা সহজেই বড়পর্দার চিত্রনাট্য হয়ে উঠতে পারে। তাঁর কথায়, একসময় তৃণমূলের হাত ধরে রাজনীতিতে উঠে আসা শুভেন্দু পরে বিজেপিতে যোগ দিয়ে নিজের অবস্থান আরও মজবুত করেন এবং শেষ পর্যন্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আসনে পৌঁছন। এই ঘটনাপ্রবাহ তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে বলেও জানান অভিনেতা।
ঋষভের মতে, শুভেন্দুর এই উত্থানে রয়েছে রাজনৈতিক কৌশল, লড়াই এবং নিজস্ব অবস্থান তৈরি করার এক আলাদা গল্প। তিনি জনপ্রিয় হিন্দি ছবি Dhurandhar-এর উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে যেমন প্রধান চরিত্র ধাপে ধাপে ক্ষমতার কেন্দ্রে পৌঁছে যায়, তেমনই শুভেন্দুর রাজনৈতিক পথচলাতেও রয়েছে নাটকীয় মোড়।
অভিনেতা স্পষ্ট করেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনও রাজনৈতিক দলের সমর্থক নন। তবে একজন শিল্পী হিসেবে এই ধরনের রাজনৈতিক যাত্রা তাঁকে আকৃষ্ট করে। এমনকি ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক জীবনকে কেন্দ্র করে সিনেমা নির্মাণের ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।
একইসঙ্গে নতুন সরকারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ আবেদনও জানান ঋষভ বসু। তাঁর দাবি, গত কয়েক বছরে রাজনৈতিক বিভাজনের প্রভাব বিনোদন জগতেও পড়েছিল। বহু শিল্পী কাজের সুযোগ হারিয়েছেন, আবার কিছু ছবির মুক্তি নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছিল। নতুন সরকারের আমলে যাতে শিল্প ও বিনোদনের জগৎ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকে, সেই প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেছেন অভিনেতা।
ঋষভ মনে করেন, সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে হলে শিল্পীদের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া জরুরি। নতুন প্রশাসনের কাছে তাঁর মূল বার্তা, রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে বাংলা ইন্ডাস্ট্রিকে আরও মুক্ত ও সৃজনশীল পরিবেশ উপহার দেওয়া হোক।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than five years.