বিধানসভায় ‘এপাং ওপাং ঝপাং’, মমতাকে নিশানা রুদ্রনীলের

বিধায়ক হিসেবে প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাসকদল এবং রাজ্যের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল নিয়ে তীব্র সমালোচনা করলেন শিবপুরের বিধায়ক ও অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। নিজের স্বভাবসিদ্ধ ছন্দময় ভাষায় তিনি দুর্নীতি, স্বজনপোষণ এবং শিল্পীদের বঞ্চনার অভিযোগ তুলে ধরেন। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ‘এপাং ওপাং ঝপাং’ কবিতার পংক্তিকে ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে ব্যবহার করে রাজনৈতিক আক্রমণও শানান।

বিধানসভায় বক্তৃতায় রুদ্রনীল বলেন, বাংলার শিল্প-সংস্কৃতির প্রকৃত উন্নয়ন ঘটাতে গেলে আগে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা নানা অনিয়ম এবং দুর্নীতির পরিবেশ দূর করা প্রয়োজন। তাঁর দাবি, শুধু অর্থ বরাদ্দ করলেই হবে না, সেই অর্থ যাতে সঠিকভাবে ব্যয় হয়, তার জন্য প্রয়োজন কঠোর নজরদারি। তিনি অভিযোগ করেন, সংস্কৃতি জগতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনুদান ও সরকারি সহায়তার নামে বহু ক্ষেত্রে অনিয়ম এবং অর্থ লুটের ঘটনা ঘটেছে।

অভিনেতা-বিধায়কের বক্তব্যে উঠে আসে টলিউড ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রের শিল্পীদের কথাও। তাঁর দাবি, বহু শিল্পী যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কাজের সুযোগ পাননি, আবার রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতার কারণে অনেকেই বিশেষ সুবিধা পেয়েছেন। ভবিষ্যতে শিল্পীদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যবিমা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

এই প্রসঙ্গেই তিনি ছন্দ মিলিয়ে বলেন, “রানি আছেন টেনশনে, তাল কেটেছে সব গানে”, এবং এরপর ‘এপাং ওপাং ঝপাং’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করে শাসকদলের ভবিষ্যৎ নিয়ে কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক ব্যঙ্গের সঙ্গে মিশে ছিল কবিতার ছন্দ, যা বিধানসভা কক্ষের বাইরেও ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

রুদ্রনীলের এই ভাষণ ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁর সমর্থকরা একে তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক ব্যঙ্গ বলে অভিহিত করছেন, আবার সমালোচকরাও বক্তব্যের ভাষা ও আক্রমণের তীব্রতা নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন। সব মিলিয়ে বিধায়ক হিসেবে তাঁর প্রথম বক্তৃতাই রাজ্যের রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মহলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক