বিশ্বকাপের মঞ্চে নামার আগে ফুটবলারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে নিজেদের সেরা ছন্দে পৌঁছানো। কিন্তু এবার মাঠের ভেতরের প্রতিপক্ষের পাশাপাশি মাঠের বাইরের এক অপ্রত্যাশিত বিপদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে সুইৎজ়ারল্যান্ড এবং নরওয়েকে। অনুশীলন কেন্দ্রের আশপাশে বিষধর সাপের উপস্থিতির কারণে দুই দলকেই বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
সুইৎজ়ারল্যান্ডের অনুশীলন শিবির ঘিরে এই বিষয়টি সামনে আসে যখন দলের পক্ষ থেকে অনুশীলন মাঠের একটি মানচিত্র প্রকাশ করা হয়। সেখানে মাঠের বিভিন্ন অংশ যেমন গোলকিপারদের অনুশীলন এলাকা, জিম এবং ড্রেসিংরুমের অবস্থান চিহ্নিত করা হলেও একটি নির্দিষ্ট অংশকে আলাদা করে ‘সাপের এলাকা’ হিসেবে দেখানো হয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে কৌতূহল এবং উদ্বেগ দুই-ই তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, সান দিয়েগো অঞ্চলে একাধিক প্রজাতির বিষধর র্যাটলস্নেকের বাস রয়েছে। এই সাপগুলি সাধারণত মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চললেও হঠাৎ বিরক্ত করা হলে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে। যদিও এখনও পর্যন্ত সুইৎজ়ারল্যান্ড দলের অনুশীলনের সময় কোনও সাপ মাঠে দেখা গিয়েছে বলে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি, তবুও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে নরওয়ের দলও একই ধরনের সতর্কবার্তা পেয়েছে। তারা নর্থ ক্যারোলিনার গ্রিন্সবোরো এলাকায় প্রস্তুতি চালাচ্ছে। ফুটবলার ও সাপোর্ট স্টাফদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আশপাশে সাপ দেখা গেলে আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে। পাশাপাশি সাপকে উত্তেজিত করতে পারে এমন কোনও আচরণ না করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে কপারহেড প্রজাতির বিষধর সাপ প্রায়ই দেখা যায়। গ্রিন্সবোরো এলাকাতেও এই সাপের উপস্থিতি অস্বাভাবিক নয়। তাই স্থানীয় প্রশাসন এবং আয়োজকরা আগেভাগেই দলগুলিকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নির্দেশিকা দিয়ে রেখেছেন।
বিশ্বকাপের মতো বড় প্রতিযোগিতার আগে খেলোয়াড়দের মনোযোগ সাধারণত কৌশল, ফিটনেস এবং ম্যাচ প্রস্তুতিতে কেন্দ্রীভূত থাকে। কিন্তু এবার প্রকৃতির এই অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জও তাদের মাথায় রাখতে হচ্ছে। যদিও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে বড় ধরনের কোনও ঝুঁকির আশঙ্কা নেই, তবুও অনুশীলন মাঠের পাশে বিষধর সাপের উপস্থিতি নিঃসন্দেহে দুই দলের প্রস্তুতিতে একটি বাড়তি সতর্কতার কারণ হয়ে উঠেছে।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.