টেলিভিশন পর্দায় কখনও মোহর, কখনও রাধিকা, আবার কখনও সুধা— প্রতিটি চরিত্রেই দর্শক মন জয় করেছেন সোনামণি সাহা। ছোটপর্দার পরিচিত এই মুখকে বেশিরভাগ সময়েই ‘ভাল মেয়ে’ বা ‘ভাল বৌমা’ হিসেবেই দেখেন দর্শকরা। ফলে পর্দায় তৈরি হওয়া ভাবমূর্তিই অনেকের কাছে তাঁর বাস্তব পরিচয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি অভিনেত্রীর একটি ছবি নেটমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। সেই ছবিতে সোনামণিকে দেখা গিয়েছে ছাদে, আলো-আঁধারির মধ্যে, খোলা পিঠে দাঁড়িয়ে। আর তাঁর পিঠে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে বড়সড় ট্যাটু। এই দৃশ্যেই কৌতূহলী হয়ে উঠেছেন নেটিজেনরা। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন— ‘এ কি সেই সুধা?’ ‘পর্দার পরিচিত চরিত্র কি এভাবে নিজেকে দেখাতে পারে?’
এই প্রশ্নের জবাবে সোজাসাপ্টা উত্তর দিয়েছেন সোনামণি। তিনি বলেছেন, “কিন্তু এটা তো সুধা করেনি। এটা তো সোনামণি। মানুষকে পার্থক্যটা বুঝতে হবে। প্রত্যেকেই চরিত্র আর বাস্তব মানুষকে গুলিয়ে ফেলেন।” তাঁর কথায়, দর্শকরা ছোটপর্দায় কোনও চরিত্রকে দীর্ঘদিন ধরে দেখে দেখে সেই চরিত্রটিকেই বাস্তবে সত্যি বলে মনে করে ফেলেন। কিন্তু অভিনেতা বা অভিনেত্রী নিজের জীবনে চরিত্র নয়, আলাদা মানুষ— এবং তাদের স্বাধীনতাও আলাদা।
তাঁর পিঠের ট্যাটুটি নিয়েও নানা জল্পনা। অনেকেই বলছেন, সেখানে নাকি ‘তারা’ আঁকা। কিন্তু অভিনেত্রী জানালেন, সেটি কোনও সাধারণ নকশা নয়। বরং তাঁর পিঠে আঁকা হয়েছে মানবদেহের সাতটি শক্তিকেন্দ্র— সাত চক্র।
এগুলি হল—
মূলাধার চক্র
স্বাধিষ্ঠান চক্র
মণিপুরা চক্র
অনাহত চক্র
বিশুদ্ধ চক্র
আজ্ঞা চক্র
সহস্রার চক্র
প্রতিটি চক্র মানুষের শক্তি, আবেগ, স্থিতি, বুদ্ধি ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক। সোনামণির কথায়, “প্রতিটি ট্যাটুর নেপথ্যে একটি কারণ থাকে, একটি মানে থাকে। এটিও তার ব্যতিক্রম নয়।”
আরও পড়ুন
হাসপাতালে নচিকেতাকে দিদির মত শাসন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
তিনি আরও বলেছেন, মানুষ যদি পর্দার চরিত্রের সঙ্গে একজন অভিনেত্রীকে মিলিয়ে ফেলেন, তবে তাঁর আর কিছু করার নেই। বাস্তবের সোনামণির জীবন, পছন্দ, সিদ্ধান্ত যে একেবারেই আলাদা— তা তিনি স্পষ্ট বার্তায় বুঝিয়ে দিলেন।
আরও পড়ুন
Kanchan-Sreemoyee: বাড়িতে নতুন সদস্যের আগমন, ভাইকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত কৃষভী

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.