ভারতে ফের কোভিডের দাপট! মিলল ওমিক্রনের নতুন RF.5 ভ্যারিয়েন্ট, কতটা চিন্তার?

ভারতে ফের কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী কোভিড-১৯ সংক্রমণ। এরই মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশের কডাপা জেলায় প্রথমবার শনাক্ত হয়েছে ওমিক্রনের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট RF.5। আক্রান্ত চার জনের নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পুনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি (এনআইভি)-তে পাঠানো হলে সেখানে এই নতুন ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়।

কী এই RF.5 ভ্যারিয়েন্ট?

বিশেষজ্ঞদের মতে, RF.5 হল SARS-CoV-2 ভাইরাসের স্বাভাবিক জিনগত পরিবর্তনের ফল। এটি JN.1 ভ্যারিয়েন্ট থেকে LF.7 এবং PY.1.1.1.1 শাখার মাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি রিকম্বিন্যান্ট (Recombinant) ভ্যারিয়েন্ট। করোনা ভাইরাসের ক্ষেত্রে এ ধরনের জিনগত পরিবর্তন অস্বাভাবিক নয়।

কতটা উদ্বেগের?

বর্তমানে পাওয়া বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী, RF.5 আগের ওমিক্রন স্ট্রেনগুলির তুলনায় বেশি সংক্রামক বা বেশি মারাত্মক, এমন কোনও প্রমাণ এখনও মেলেনি। তাই নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হলেও এখনই আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
অন্ধ্রপ্রদেশের মেডিক্যাল এডুকেশনের ডিরেক্টর ডা. বিষ্ণুবর্ধনের কথায়, নিয়মিত জিনোম নজরদারির সময়ই এই ভ্যারিয়েন্টের সন্ধান পাওয়া যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (WHO) RF.5-সহ অন্যান্য নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্টের উপর নজর রাখছে।

কোন কোন দেশে মিলেছে RF.5?

ভারতের পাশাপাশি সিঙ্গাপুর এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশেও RF.5 সংক্রমণের সন্ধান মিলেছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোথাও এই ভ্যারিয়েন্টের কারণে গুরুতর অসুস্থতা বা মৃত্যুর হার বেড়েছে বলে কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

RF.5-এর উপসর্গ কী?

RF.5-এ আক্রান্ত হলে সাধারণত দেখা যেতে পারে—
*গলা ব্যথা বা খুসখুসে ভাব
*জ্বর
*মাথাব্যথা
*নাক দিয়ে জল পড়া
*কাশি
*শরীরে ব্যথা
*অতিরিক্ত ক্লান্তি

কারা বেশি ঝুঁকিতে?

চিকিৎসকদের মতে, নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের বিশেষ সতর্ক থাকা উচিত—
*বয়স্ক ব্যক্তি
*যাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম
*আগে থেকেই গুরুতর বা দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগছেন এমন মানুষ

এই ধরনের ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সংক্রমণের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি হতে পারে।

কী সতর্কতা নেওয়া উচিত?

উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে কোভিড পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। প্রয়োজন হলে আইসোলেশনে থাকতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে। পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে অন্ধ্রপ্রদেশের হাসপাতালগুলিকেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে সক্রিয় কোভিড রোগীর সংখ্যা ১৬।

মহারাষ্ট্র ও কলকাতাতেও মিলছে সংক্রমণ
উদ্বেগ বাড়িয়ে মহারাষ্ট্রেও ফের কোভিড সংক্রমণের খবর মিলেছে। প্রায় তিন বছর পর পুনেতে গত ১০ দিনে একাধিক নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। অন্যদিকে কলকাতাতেও ১০ বছরের এক শিশুর শরীরে ভাইরাল লোড পরীক্ষায় SARS-CoV-2 সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

রাগের বিস্ফোরণ বাড়াতে পারে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি! কেন কার্যকর ৯০ সেকেন্ডের নিয়ম?

চিকিৎসকদের মতে, অধিকাংশ আক্রান্তের উপসর্গ মৃদু হলেও সতর্কতা বজায় রাখা জরুরি। উল্লেখ্য, অন্ধ্রপ্রদেশে ২৬ জুন থেকে ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে কোভিডে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, যদিও এই মৃত্যুগুলি সরাসরি RF.5 ভ্যারিয়েন্টের কারণে হয়েছে—এমন প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক