দিল্লি গণধর্ষণ-হত্যাকাণ্ড: দেহের উপরিভাগ ক্ষতবিক্ষত, প্রথমে পুরুষ ভেবেছিল পুলিশ! ট্যাটু থেকেই মিলল পরিচয়ের সূত্র

দিল্লিতে গণধর্ষণের পর এক কিশোরীকে খুনের ঘটনায় তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। উদ্ধার হওয়া দেহ এতটাই ভয়ঙ্কর ভাবে ক্ষতবিক্ষত ছিল যে, প্রাথমিক ভাবে সেটি কোনও পুরুষের দেহ বলে মনে করেছিলেন তদন্তকারীরা। পরে বাঁ হাতে থাকা বিশেষ একটি ট্যাটুই মৃতার পরিচয় শনাক্ত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে ওঠে।

‘হিন্দুস্তান টাইমস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, দেহটির মাথা ও মুখ গুরুতর ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ছিল। খুলির অংশ এবং পাঁজর পর্যন্ত বেরিয়ে এসেছিল। ডান হাতও কাটা ছিল। ছুরির একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। প্রথমে তদন্তকারীদের ধারণা হয়েছিল, যৌনাঙ্গও কেটে ফেলা হয়ে থাকতে পারে। পাশাপাশি, দেহটি এমন জায়গায় ফেলে রাখা হয়েছিল যেখানে কুকুর ও অন্যান্য পশু সেটি খুবলে খেয়েছিল। ফলে পরিচয় শনাক্ত করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ছিল, দেহটি কোনও মাঝবয়সি পুরুষের হতে পারে। কিন্তু তদন্তের সময় এক অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইনস্পেক্টর মৃতদেহের বাঁ হাতে তিনটি তারার ট্যাটু দেখতে পান। সেখান থেকেই তদন্তে নতুন দিশা আসে। পুলিশের সন্দেহ হয়, দেহটি কোনও মহিলারও হতে পারে। পরে পরিবারের কাছ থেকে পাওয়া ছবিতে একই ধরনের ট্যাটু দেখতে পান তদন্তকারীরা। সেই সূত্রে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং ছবির সঙ্গে মৃতার শারীরিক বৈশিষ্ট্য মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া এগোয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১১ সেপ্টেম্বর কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। দু’দিন পর তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। দেহটির পরনে ছিল নীল জিন্‌স ও বেগনি রঙের পোশাক। পোশাকও কাদায় মাখামাখি ছিল। পেটের অংশে পচন ধরেছিল এবং মুখ গুরুতর ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ছিল। তদন্তে আরও জানা যায়, কিশোরীর নিখোঁজ হওয়ার পর কোনও ডায়েরি করা হয়নি। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছিলেন, কিশোরী মাঝে মধ্যেই বন্ধুদের সঙ্গে কয়েক দিনের জন্য বাইরে থাকত। তাই এ বারও সে বন্ধুদের সঙ্গে বাইরে গিয়েছে বলেই তাঁরা মনে করেছিলেন।

20260918 150151
প্রতিকী ছবি

দেহ উদ্ধারের পর তদন্তকারীরা এলাকায় থাকা ৫০টিরও বেশি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখেন। সেখানেই একটি টেম্পোর সন্ধান মেলে। যে জায়গা থেকে দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই এলাকায় টেম্পোটিকে দেখা গিয়েছিল। ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিসিটিভি ফুটেজে টেম্পোটির বাঁ দিকে থাকা একটি বিশেষ নকশা পুলিশের নজরে আসে।

পরের দিন রাত প্রায় ১টা ৩০ মিনিট নাগাদ একই নকশার একটি টেম্পোর সন্ধান পায় পুলিশ। সেই সূত্র ধরে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দাবি করেন, ওই টেম্পোর চালক কিশোরীকে চিনতেন। সেই সূত্র ধরে তদন্তকারীরা কিশোরীর বাড়ির ঠিকানা জানতে পারেন এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

শতাধিকবার মিলন, ছেলেকে যৌন সম্পর্কে বাধ্য করার অভিযোগ মায়ের বিরুদ্ধে, ফ্লোরিডায় গ্রেপ্তার মা-ছেলে

শতাধিকবার মিলন, ছেলেকে যৌন সম্পর্কে বাধ্য করার অভিযোগ মায়ের বিরুদ্ধে, ফ্লোরিডায় গ্রেপ্তার মা-ছেলে
প্রতিকী ছবি

এই ঘটনায় ১৯ বছরের এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি তিন নাবালককে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। গোটা ঘটনার সঙ্গে তাঁদের ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক