মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার নদিয়ার মায়াপুরে ইসকন মন্দির পরিদর্শনে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর এই সফরকে ঘিরে সকাল থেকেই ইসকন চত্বরে ছিল উৎসবের আবহ। কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে মায়াপুরে পৌঁছন তিনি। সেখানে ইসকনের সন্ন্যাসীরা তাঁকে মালা পরিয়ে স্বাগত জানান।
মায়াপুরে পৌঁছে প্রথমেই ইসকনের গোশালায় বিশেষ পূজা ও যজ্ঞানুষ্ঠানে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী। সন্ন্যাসীদের উপস্থিতিতে তিনি গো-সেবাও করেন। গোমাতার পা জল দিয়ে ধুয়ে দেন এবং নিজ হাতে খাবার খাওয়ান। গোশালার এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তাঁকে গভীর ভক্তিভাবেই দেখা যায়।
এরপর শুভেন্দু অধিকারী যান ইসকনের চন্দ্রোদয় মন্দিরে। সেখানে রাধামাধবের পূজা ও আরতিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিগ্রহের সামনে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করেন তিনি। মন্দিরে উপস্থিত ভক্তদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন এবং অনেকের সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায় তাঁকে।
চন্দ্রোদয় মন্দির থেকে তিনি যান ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের মন্দিরে। সেখানেও পূজা দেওয়ার পর প্রভুপাদের বিগ্রহের সামনে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি মায়াপুরের বিভিন্ন সাধু-সন্তদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এর আগে বেলুড় মঠ, কালীঘাট-সহ একাধিক ধর্মীয় স্থানে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে এবার তাঁর মায়াপুর সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। সফর উপলক্ষে আগের দিন থেকেই ইসকন চত্বরে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল।
জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর জন্য বিশেষ কৃষ্ণ প্রসাদের ব্যবস্থাও করা হয় ইসকনের তরফে। পাশাপাশি স্মারক হিসেবে তাঁকে একটি গোমাতার মূর্তি উপহার দেওয়ার কথাও জানা গিয়েছে।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than five years.