বলিউড অভিনেতা Varun Dhawan-এর নতুন ছবি ‘হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়’ মুক্তির আগেই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে। বহুদিন ধরেই ছবিটি নিয়ে চর্চা চলছিল, কারণ নির্মাতারা একাধিকবার মুক্তির তারিখ বদল করেছিলেন। অবশেষে টিজার প্রকাশের সঙ্গে জানানো হয়েছে—২০২৬ সালের ২২ মে ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে আসছে।
এই ছবিতে বরুণের সঙ্গে রয়েছেন Pooja Hegde, Mrunal Thakur এবং Mouni Roy। পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন বরুণের বাবা David Dhawan।
টিজারে কী দেখানো হয়েছে?
প্রায় এক মিনিটের টিজারটি শুরু হয় দুটি শিশুর কথোপকথন দিয়ে। তারা নিজেদের বাবা-মা সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে এক অদ্ভুত সন্দেহে পড়ে—তাদের বাবা-মা কি একই ব্যক্তি? এই রহস্যময় সূচনার পরেই দেখা যায় মূল চরিত্রদের গ্ল্যামারাস উপস্থিতি।
তবে এই টিজারের সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো—শুরুর শিশু চরিত্র দুটি এআই প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি। এই বিষয়টিই দর্শকদের বড় অংশের কাছে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।
কেন ক্ষুব্ধ দর্শকরা?
টিজার প্রকাশের পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—একটি বড় বাজেটের ছবিতে কেন বাস্তব অভিনেতার বদলে এআই ব্যবহার করা হল?
অনেক দর্শকের মন্তব্যে উঠে এসেছে—
“এআই ব্যবহার করে গল্প বলার মান কমে গেছে”
“দেখেই বোঝা যাচ্ছে কৃত্রিম, কোনও আবেগ নেই”
“এই ছবি বক্স অফিসে টিকবে না”
রিমেক বিতর্কে নতুন জট
শুধু এআই নয়, ছবির গল্প নিয়েও উঠেছে অভিযোগ। বহু দর্শকের মতে, ছবিটি নাকি Sandwich বা Saajan Chale Sasural-এর মতো পুরনো কমেডি ছবির ছায়া বহন করছে।
এই কারণে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—নতুন গল্পের অভাব কি বলিউডে এতটাই প্রকট?
নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া
ট্রেড অ্যানালিস্ট Taran Adarsh টিজারটি শেয়ার করার পর মন্তব্যের বন্যা বয়ে যায়। কেউ সরাসরি “ডিজাস্টার লোডিং” লিখেছেন, আবার কেউ বলেছেন—“এটা কে দেখবে?”
কিছু মন্তব্যে আবার পুরনো অভিনেতা Govinda-র সঙ্গে তুলনা টানা হয়েছে, যেখানে অনেকে মনে করছেন তাঁর স্টাইল অনুকরণ করার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
আবার একসঙ্গে বাবা-ছেলে
এই ছবির মাধ্যমে আবারও একসঙ্গে কাজ করছেন বরুণ ধাওয়ান ও ডেভিড ধাওয়ান। এর আগে তাঁদের জুটি ‘Main Tera Hero’ এবং ‘Judwaa 2’-এর মতো সফল ছবি উপহার দিয়েছে।
তাই দর্শকদের একাংশ এখনও আশাবাদী—টিজার নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, পুরো ছবিতে হয়তো চমক থাকতে পারে।
শেষ কথা
টিজার প্রকাশের পর থেকেই ছবিটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। একদিকে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার, অন্যদিকে পুরনো গল্পের অভিযোগ—সব মিলিয়ে ছবির ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনই জল্পনা তুঙ্গে।
এখন দেখার, মুক্তির পর দর্শকদের মন জিততে পারে কি না ‘হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়’।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.