হিন্দু ধর্মে ভগবান গণেশকে সিদ্ধিদাতা ও বিঘ্নহর্তা হিসেবে মানা হয়। যে কোনও শুভ কাজের শুরুতেই তাঁর পূজা করা রীতি। তাই অনেকেই ভক্তি বা সৌন্দর্যবোধের টানে বাড়িতে একাধিক গণেশের মূর্তি এনে সাজিয়ে রাখেন। তবে বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, এই বিষয়ে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মানা অত্যন্ত জরুরি।
বাস্তুশাস্ত্রে বলা হয়েছে, বাড়িতে একাধিক গণেশের মূর্তি রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ না হলেও তা নির্দিষ্ট বিধি মেনে রাখতে হবে। প্রথম এবং প্রধান নিয়ম হল—সব মূর্তি এক জায়গায় একত্রে রাখা যাবে না। ঠাকুরঘর, বসার ঘর বা শোয়ার ঘরের আলাদা আলাদা স্থানে মূর্তিগুলি রাখতে হবে। এতে শক্তির সুষম প্রবাহ বজায় থাকে।
একই রকম দেখতে দুই বা ততোধিক গণেশ মূর্তি পাশাপাশি রাখা উচিত নয়। সম্ভব হলে সেগুলিকে আলাদা ঘরে রাখাই শ্রেয়। কারণ, প্রতিটি মূর্তিই শক্তির আধার হিসেবে বিবেচিত হয়। একই স্থানে একাধিক শক্তির কেন্দ্র থাকলে শক্তির ঘর্ষণে নেতিবাচক প্রভাব তৈরি হতে পারে।
পুজোর স্থানে একটি মাত্র গণেশ মূর্তি রাখাই ভাল। একাধিক মূর্তি পাশাপাশি থাকলে ইতিবাচক শক্তির ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এছাড়া ভাঙা, চিড় ধরা বা ক্ষতিগ্রস্ত মূর্তি কখনওই বাড়িতে রাখা উচিত নয়। তা যত প্রিয়ই হোক, সেগুলি সসম্মানে বিদায় দেওয়াই বিধেয়।
বাড়ির প্রধান দরজার সামনে গণেশের মূর্তি বা ছবি রাখা শুভ বলে মনে করা হয়। এতে ঘরে সুখ-সমৃদ্ধি ও ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ বজায় থাকে।
আরও পড়ুন:আনলাকি ১৩: পূর্বজন্মের পাপ না কুসংস্কার?
সবশেষে, গণেশের বিভিন্ন রূপের আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তাই বাড়িতে আনার আগে সেই রূপের তাৎপর্য জেনে নেওয়া জরুরি। সঠিক নিয়ম মেনে একাধিক গণেশ মূর্তি রাখলে কোনও অশুভ প্রভাব পড়ে না, বরং বাড়িতে শান্তি ও মঙ্গলই বৃদ্ধি পায়।
আরও পড়ুন:পরিশ্রম করেও সুফল মিলছে না? বাড়ির এই ১৬ ভুলেই আটকে যায় সৌভাগ্য!
(Disclaimer: এখানে দেওয়া তথ্য জ্যোতিষশাস্ত্রের সাধারণ বিশ্বাস ও তথ্যের উপর ভিত্তি করে লেখা। সংবাদ ভবন এটি নিশ্চিৎ করে না।)

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.