অনেকেই নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করলেও জিভ পরিষ্কার করার বিষয়টি গুরুত্ব দেন না। অথচ মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং দুর্গন্ধের সমস্যা কমাতে জিভ পরিষ্কার করা অত্যন্ত কার্যকর একটি অভ্যাস। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন কয়েক সেকেন্ড সময় দিলেই মুখগহ্বরে জমে থাকা ব্যাক্টেরিয়া ও খাদ্যকণা দূর করা সম্ভব।
কেন জিভ পরিষ্কার করা জরুরি?
জিভের উপরিভাগে অসংখ্য ক্ষুদ্র খাঁজ থাকে, যেখানে খাবারের অবশিষ্টাংশ, মৃত কোষ ও নানা ধরনের জীবাণু জমে থাকতে পারে। দীর্ঘদিন এগুলি পরিষ্কার না করলে মুখে দুর্গন্ধ, মাড়ির প্রদাহ এবং দাঁতের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি মুখগহ্বরের সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখাও কঠিন হয়ে পড়ে।

মুখ শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা স্তর হিসেবে কাজ করে। তাই মুখের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সামগ্রিক সুস্থতার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
জিভ পরিষ্কারের সম্ভাব্য উপকারিতা
*মুখের দুর্গন্ধ কমাতে সাহায্য করে।
*জিভের উপর জমে থাকা ব্যাক্টেরিয়া দূর করতে সহায়ক।
*খাবারের স্বাদ আরও স্পষ্টভাবে অনুভব করা যায়।
*দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে।
প্লাক জমার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
মুখের পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে দীর্ঘমেয়াদে মৌখিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সহায়ক।
কীভাবে জিভ পরিষ্কার করবেন?
*প্রতিদিন সকালে ও রাতে দাঁত ব্রাশের পরে জিভ পরিষ্কার করুন।
*জিভ পরিষ্কারের জন্য বিশেষ স্ক্র্যাপার বা নরম ব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন।
*জিভের পেছনের অংশ থেকে সামনের দিকে আলতোভাবে টেনে পরিষ্কার করুন।
*পুরো প্রক্রিয়াটি ১০ সেকেন্ডের মধ্যেই সম্পন্ন করা সম্ভব।
*অতিরিক্ত চাপ দিয়ে ঘষবেন না, কারণ এতে জিভের নরম টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
মনে রাখবেন
জিভ পরিষ্কার করা মুখের পরিচর্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও এটি দাঁত ব্রাশ, ফ্লস ব্যবহার বা নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপের বিকল্প নয়। যদি দীর্ঘদিন মুখের দুর্গন্ধ, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বা অন্য কোনও সমস্যা থাকে, তবে অবশ্যই দন্তচিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Sumi has been waiting lifestyle, vastu Tips since 2026.